মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

আইন ও বিধি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

 

 

 

উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮

(১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন)

 

 

 

[২০০৯ সনের ৩০ জুন পর্যমত্ম সংশোধিত]

ধারা

উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮

 

সূচী পত্র

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

২। সংজ্ঞা

৩। উপজেলা ঘোষণা

৪। উপজেলাকে প্রশাসনিক একাংশ ঘোষণা

৫। উপজেলা পরিষদ স্থাপন

৬। পরিষদের গঠন

৭। পরিষদের মেয়াদ

৮। চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যগণের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা

৯। চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের শপথ

১০। সম্পত্তি সম্পর্কিত ঘোষণা

১১। চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের সুযোগ-সুবিধা

১২। চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

১৩। চেয়ারম্যান ইত্যাদি অপসারণ

১৪। চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্য পদ শূন্য হওয়া

১৫। অস্থায়ী চেয়ারম্যান ও প্যানেল

১৬। আকস্মিকপদ শূন্যতা পূরম্নণ

১৭। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়

১৮। পরিষদের প্রথম সভা আহবান

১৯। ভোটার তালিকা ও ভোটাধিকার

২০। নির্বাচন পরিচালনা

২১। চেয়ারম্যা ও মহিলা সদস্যগণের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ

২২। চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ কর্তৃক কার্যভার গ্রহণ

২৩। পরিষদের কার্যাবলী

২৪। সরকার ও পরিষদের কার্যাবলী হসত্মামত্মর ইত্যাদি

২৫। পরিষদের উপদেষ্টা

২৬। নির্বাহী ক্ষমতা  ii

২৭। কার্যাবলী নিষ্পন্ন

২৮। পরিষদের সভার কর্মকর্তা ইত্যাদির উপস্থিতি

২৯। কমিটি

৩০। চুক্তি

৩১। নির্মাণ কাজ

৩২। নথিপত্র, প্রতিবেদন ইত্যাদি

৩৩। পরিষদের সচিব

৩৪। পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ

৩৫।  পরিষদের তহবিল গঠন

৩৬। পরিষদের তহবিল সংরক্ষণ, বিনিয়োগ ও বিশেষ তহবিল

৩৭। পরিষদের তহবিলের প্রয়োগ

৩৮। বাজেট

৩৯। হিসাব

৪০। হিসাব নিরীক্ষা

৪১। পরিষদের সম্পত্তি

৪২। উন্নয়ন পরিকল্পনা

৪৩। পরিষদের নিকট চেয়ারম্যান ইত্যাদির দায়

৪৪। পরিষদ কর্তৃক আরোপনীয় কর ইত্যাদি

৪৫। কর সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি

৪৬। কর সংক্রামত্ম দায়

৪৭। কর আদায়

৪৮। কর ইত্যাদি নির্ধারণের বিরম্নদ্ধে আপত্তি

৪৯। কর বিধি

৫০। পরিষদের উপর তত্ত্বাবধান

৫১। পরিষদের কার্যাবলীর উপর নিয়ন্ত্রণ

৫২। পরিষদের বিষয়াবলী সম্পর্কে তদমত্ম

৫৩। পরিষদ বাতিলকরণ

৫৪। যুক্তি কমিটি

৫৫। পরিষদ ও অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃকপক্ষের বিরোধ

৫৬। অপরাধ

৫৭। দন্ড  iii

৫৮। অপরাধ আমলে নেওয়া

৫৯। অভিযোগ প্রত্যাহার ও আপোষ নিষ্পত্তি

৬০। অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অবস্থান

৬১। আপীল

৬২। পরিষদ ও সরকারের কার্যাবলীর সমন্বয় সম্পর্কে আদেশ

৬৩। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৬৪। প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৬৫। সরকার কর্তৃক ক্ষমতা অর্পণ

৬৬। পরিষদের পক্ষে ও বিপক্ষে মামলা

৬৭। নোটিশ এবং উহা জারীকরণ

৬৮। প্রকাশ্য রেকর্ড

৬৯। পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ইত্যাদি জনসেবক (Public Servant)গণ্য হইবেন

৭০। সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ

৭১। নির্ধারিত পদ্ধতিতে কতিপয় বিষয়ের নিষঙত্তি

৭২। অসুবিধা দুরীকরণ।

 

তফসিল

প্রথম তফসিল - প্রথম উপজেলাসমুহের তালিকা

দ্বিতীয় তফসিল - উপজেলা পরিষদের কার্যাবলী

তৃতীয় তফসিল - সরকার কর্তৃক উপজেলা পরিষদের নিকট

হসঙামঙরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ও কর্মের তালিকা

চতুর্থ তফসিল - উপজেলা  পরিষদ কর্তৃক আরোপনীয় কর, রেইট,

টোল, ফিস এবং অন্যান্য সঙত্র হইতে প্রাপ্ত আয়

পঞ্চম তফসিল - এই আইনের অধিনে অপরাধসঙহ

   -------------------------------

১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন

উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮

 

[৩রা ডিসেম্বর, ১৯৯৮]

উপজেলা পরিষদ নামক স্থানীয় শাসন সংক্রামঙ প্রতিষ্ঠান স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন

 

 যেহেতু সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের সমন্বয়ে উপজেলা পরিষদ

নামক স্থানীয় শাসন সংক্রামঙ প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সমঙর্কে বিধান করা সমীচীন ও

প্রয়োজনীয়;

 

 সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-

 

 ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন ।- (১) এই আইন উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ নামে

অভিহিত হইবে।

*

১ (২) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা বলবৎ

হইবে।

 

**

 

 ২।  সংজ্ঞা। -  বিষয় বা প্রসংগের পরিপন হী কোন কিছু না থাকিলে এই আইনে ু

 

১(ক)     "অস্থায়ী চেয়ারম্যান" অর্থ চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি;

 

(খ) "ইউনিয়ন" এবং "ইউনিয়ন পরিষদ" অর্থ The Local Governmnet (Union

Parishads) Ordinance, ১৯৮৩ (LI of 1983)-এর  section২-এর যথাক্রমে 

clause (26)এবং (২৭) এ সংজ্ঞায়িত "Union"এবং "Union Parishad"

(গ)  "ইউনিয়ন প্রতিনি ধি" অর্থ ধারা ৬(গ)তে উলি­খিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা তাহার

দায়িতব পালনকারী ব্যক্তি;

(ঘ) "উপজেলা " অর্থ ধারা ৩- এর অধীনে ঘোষিত কোন উপজেলা;

                                                

*

 উপজেলা পরিষদ (রহিত পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২৭ নং আইন)-এর ধারা ২

দ্বারা উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন) পুনঃ প্রবর্তিত [ইহা ৩০ জুন, ২০০৮

তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে]]।

**

  এস,আর,ও নং ১৫-আইন/৯৯, তারিখ, ২৭ জানুয়ারী, ১৯৯৯ ইং দ্বারা ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৯ইং তারিখকে উক্ত

আইন বলবৎ করার তারিখ হিসাবে নির্ধারণ করিল।

১ ২০০৯ সালের ২৭ নং আইন এর ৩(ক) ধারা বলে দফা (ক) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২(ঙ) "কর" বলিতে এই আইনের অধীনে আরোপণীয় বা আদায়যোগ্য কোন রেইট, টোল, ফিস, বা

অনুরূপ অন্য কোন অর্থ ও ইহার অমঙর্ভূক্ত হইবে;

(চ)  "চেয়ারম্যান" অর্থ পরিষদের চেয়ারম্যান;

(ছ) "তফসিল" অর্থ এই আইনের কোন তফসিল;

(জ)   "পরিষদ" অর্থ এই আইনের বিধান অনুযায়ী গঠিত উপজেলা পরিষদ;

(ঝ)  "প্রবিধান" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

১(ঞ) "পৌরপ্রতিনিধি" অর্থ ধারা ‘‘৬(খ)’’ তে উলি­খিত পেŠরসভার চেয়ারম্যান বা তাহার দায়িতব

পালনকারী ব্যক্তি;

(ট)   "বিধি" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

২(ঠ)  "মহিলা সদস্য" অর্থ ধারা ৬ (ঘ) অনুসারে পরিষদের

১ [সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত] মহিলা সদস্য;

(ড)   "সদস্য" অর্থ ধার ৬-তে উলে­খিত পরিষদের চেয়ারম্যানসহ অন্য যে কোন সদস্য।

৩। উপজেলা ঘোষণা।- (১) এতদ্বারা প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে উলি­খিত

প্রত্যেক থানার এলাকাকে উক্ত কলামে উলি­খিত নামের উপজেলা ঘোষণা করা হইল।

 (২)  এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট

এলাকা সমন্বয়ে নুতন উপজেলা ঘোষণা করিতে পারিবে।

 ৪। উপজেলাকে প্রশাসনিক একাংশ ঘোষণা।- ধারা ৩ এর অধীনে ঘোষিত

প্রত্যেকটি উপজেলাকে, সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদের সহিত পঠিতব্য ৫৯ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পঙরণকল্পে,

এতদ্বারা প্রজাতমেঙর প্রশাসনিক একাংশ বলিয়া ঘোষণা করা হইল।

 ৫। উপজেলা পরিষদ স্থাপন।- (১) এই আইন বলবৎ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব,

প্রত্যেক উপজেলায় এই আইনের বিধান অনুাযায়ী একটি উপজেলা পরিষদ স্থাপিত হইবে।

                                        

১ ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ৩(খ) ধারা বলে দফা(ঞ) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

২ ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ৩(গ) ধারা বলে দফা (ঠ) ও (ড) এর পরিবর্তে দফা (ঠ), (ড) ও (ঢ) প্রতিস্থাপিত।

৩ (২)  পরিষদ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও

একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর

উভয় প্রকার সমঙত্তি অর্জন করার, অধিকারে রাখার ও হসঙামঙর করার ক্ষমতা থাকিবে এবং

ইহার নামে ইহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে বা ইহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে।

 

৬।   পরিষদের গঠন।-(১) এই আইনের বিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ সমন্বয়ে

উপজেলা পরিষদ গঠিত হইবে, যথাঃ-

(ক) চেয়ারম্যান;

(খ) দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, যাহার মধ্যে একজন মহিল হইবেন;

(গ) (উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সাময়িকভাবে

চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি;

(ঘ) উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক পৌরসভা, যদি থাকে, এর মেয়র বা সাময়িকভাবে

মেয়রের দায়িত্ব পালনকারী ব্যীক্ত ; এবং

(ঙ) উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণ।

(২) উপ-ধারা (১) এ উলি­খিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্ররীত

ভোটার তালিকায় অমঙর্ভুক্ত ভোটারদের দ্বারা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়, স্থান ও

পদ্ধতিতে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত হইবেন।

(৩) কোন উপজেলার এলাকাভহক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভা বাতিল হইবার কারণে উপধারা

(১) এর দফা (গ) ও (ঘ) এর অধীন উপজেলা পরিষদের সদস্য থাকিবেন না এবং

এইরূপ সদস্য না থাকিলে উক্ত উপজেলা পরিষদ গঠনের বৈধতা ক্ষুন্ন হইবে না।

(৪) প্রত্যেক উপজেলার এলাকাভহক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভা, যদি থাকে, এর মোট

সংখ্যার এক-তৃতীয়াশের সম সংখ্যক আসন, অতঃপর সংরক্ষিত আসন বলিয়া উলি­খিত,

মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে, যাহারা উক্ত উপজেলার এলাকাভহক্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও

পৌরসভা, যদি থাকে, এর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাহাদের

মধ্য হইতে নির্বাচিত হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারায় কোন কিছুই কোন মহিলাকে সংরক্ষিত আসন বহিভর্হত আসনে

সরাসরি নির্বাচন করিবার অধিকারকে বারিত করিবে না।

         ব্যাখ্যাঃ   এই উপ-ধারার অধীন সংরক্ষিত আসনে সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে, যদি উক্ত সংখ্যার ভগ্নাংশ

থাকে এবং উক্ত ভগ্নাংশ অর্ধেক বা তদুর্ধ্ব হয়, তবে উহাকে পুর্ণ সংখ্যা বলিয়া গণ্য রিতে হইবে এবং যদি উক্ত

ভগ্নাংশ অর্ধেকের কম হয়, তবে উহাকে উপেক্ষা করিতে হইবে।

(৫) উপ-ধারা (১) এর অধীন উপজেলা পরিষদ গঠিত হইবার পর উহার অধিক্ষেত্রের মধ্যে নুতন

পৌারসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হইবার কারণে উপজেলা পরিষদের পরবর্তী নির্বাচন

                                                

১ ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ৪ ধারা বলে ধারা ৬ এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ৪ অনুষ্ঠান না হওয়া পর্যমঙ উপ-ধারা (৪) এ উলি­খিতাসন সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটিবে না

এবং এই কারণে বিদ্যমান উপজেলা পরিষদ গঠনের বৈধতা ক্ষুন্ন হইবে না।

(৬) উপধারা (১)- এর দফা (খ) ও (গ)-তে উলে­খিত ব্যক্তি এই আইনের অধীন পরিষদের সদস্য

হিসাবে নির্বাচিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

    ব্যাংখ্যাঃ  গঠিত পরিষদের মোট সদস্যদের (৭৫%) পঁচাত্তর শতাংশ নিধারণের ক্ষেত্রে ভগ্নাংশের উদ্ভব

হইলে এবং তাহা দশমিক পাঁচ শতাংশের কম হইলে অগ্রাহ্য করিতে হইবে এবং দশমিক পাঁচ

শুন্য শতাংশ বা তার বেশী হইলে তাহা এক গণ্য করিতে হইবে।]

 

 ৭। পরিষদের মেয়াদ।- ধারা ৫৩ এর বিধান সাপেক্ষে, পরিষদের মেয়াদ হইবে উহার প্রথম

সভার তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরঃ

 

 তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়া সত্বেও নির্বাচিত নতুন পরিষদ উহার প্রথম সভায়

মিলিত না হওয়া পর্যমঙ পরিষদ কার্য চালাইয়া যাইবে।

 

 ৮। ১ [চেয়ারম্যানগণের] যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।- (১) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে,

[চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান]

৩ *     *    * নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন যদি,

 

(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;

(খ) তাহার বয়স পঁচিশ বৎসর পঙর্ণ হয় এবং

(গ) তিনি ধারা ১৯ এ উলি­খিত ভোটার তালিকাভূক্ত হন।

 

[চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান] নির্বাচিত হইবার এবং থাকিবার যোগ্য

হইবেন না, যদি -

(২)  কোন ব্যক্তি

(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেন বা হারান;

(খ) তাহাকে কোন আদালত অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;

(গ) তিনি দেওলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন।

(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যসঙ হইয়া অন্যুন দুই বৎসরের কারাদন্ডে

দন্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তি লাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৫(ক) ধারা বলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৫(খ) ধারা বলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৪(ঘ) ধারা বলে মহিলা সদস্য শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৫(গ) ধারা বলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ৫

(ঙ) তিনি প্রজাতমেঙর বা পরিষদের বা অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোন কর্মে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে

অধিষ্ঠিত থাকেন;

(চ) তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য বা অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বা সদস্য হন বা থাকেন;

(ছ) তিনি পরিষদের কোন কাজ সমঙাদনের বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা পরিষদের কোন বিষয়ে তাঁহার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে বা

তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের দোকানদান হন; অথবা

(জ) তাহার নিকট কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত কোন ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী

থাকে।

 

ব্যাখ্যা।- এই উপ-ধারা উদ্দেশ্য পুরণকল্পে-

 

(ক) ব্যাংক অর্থ ব্যাংক কোমঙানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর ধারা

২(ড)তে সংজ্ঞায়িত ব্যাংক কোমঙানী;

(খ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন)

৯।

এর ধারা ২ (খ) তে সংজ্ঞায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান] ও সদস্যগণের শপথ।- (১)

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রত্যেক সদস্য তাহার কার্যভার গ্রহণের পঙর্বে নিম্নলিখিত ফরমে সরকার কর্তৃক

নির্ধারিত কোন ব্যক্তির সম্মুখে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবেন এবং শপথপত্র বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করিবেন,

যথাঃ-

[শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র

"আমি .................................................................................................... , পিতা

বা স্বামী ........................................................................................

.............................................জেলা..........................................................

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান সদস্য নির্বাচিত হইয়া সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা

দৃঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া 

সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী এবং সততা, নিষ্ঠা ও বিশ্বসঙতার সহিত আমার পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও অনুগত্য পোষণ করিব।

 

স্বাক্ষর] 

(২) 

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান]  বা মহিলা সদস্য হিসাবে নির্বাচি ত ব্যক্তিগণের নাম

সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্যের শপথ গ্রহণ বা ঘোষণার জন্য

সরকার বা তৎকর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৬(ক) ধারা বলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত। 

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৬(খ) ধারা বলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৬(গ) ধারা বলে শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র ফরমের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৭(ক) ধারা বলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত। 

 ৬

 ১০। সমঙত্তি সমঙর্কিত ঘোষণা।-

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান]তাহার

কার্যভার গ্রহণের পঙর্বে তাহার এবং তাহার পরিবারের কোন সদস্যের স্বত্ব, দখল বা স্বার্থ আছে এই প্রকার যাবতীয়

স্থাবর ও অস্থাবর সমঙত্তির একটি লিখিত বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও নির্ধারিত ব্যক্তির নিকট

দাখিল করিবেন।

 

ব্যাখ্যাঃ-  "পরিবারের সদস্য" বলিতে [চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের] স্বামী বা সঙী এবং

তাহার সংগে বসবাসকারী এবং তাহার উপর সমঙঙর্ণভাবে নির্ভরশীল তাহার ছেলেমেয়ে, পিতামাতা ও

ভাইবোনকে বুঝাইবে।

 

     ১১। [চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের] ও সদস্যগণের সুযোগ-সুবিধা।-

[চেয়ারম্যান,

ভাইস চেয়ারম্যানের]ও সদস্যগণের ছুটি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

 

     ১২। [চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যগণের] পদত্যাগ।- (১) সরকারের

উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যগণের] স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে

পারিবেন।

(ক) পদত্যাগ গৃহীত হইবার তারিখ হইতে পদত্যাগ কার্যকর হইবে এবং

পদত্যাগকারীর পদ শুন্য হইবে।

     ১৩। চেয়ারম্যান ইত্যাদির অপসারণ।- (১)

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান] বা মহিলা

সদস্যসহ যে কোন সদস্য তাহার স্বীয় পদ হইতে অপসারণ যোগ্য হইবেন, যদি তিনি ু

 

(ক) যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিরেকে পরিষদের পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন;

(খ) পরিষদ বা রাষ্ট্রের হানিকর কোন কাজে জড়িত থাকেন, অথবা দুর্নীতি বা অসদাচরণ বা

নৈতিক স্খলনজনিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যসঙ হইয়া দন্ডপ্রাপ্ত হইয়া থাকেন;

(গ) তাহার দvায়ত্ব পালন করিতে অস্বীকার করেন অথবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের

কারণে তাঁহার দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; অথবা

 

(ঘ) অসদাচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের দোষে দোষী হন অথবা পরিষদের কোন অর্থ বা

সমঙত্তির কোন ক্ষতি সাধন বা উহার আত্মসাতের জন্য দায়ী হন।

 

ব্যাখ্যা। - এই উপ-ধারায় "অসদাচরণ" বলিতে ক্ষমতার অপব্যবহার, দঙর্নীতি,

স্বজনপ্রীতি ও ইচ্ছাকৃত কুশাসনও বুঝাইবে।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৭(ক) ও (খ) ধারাবলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৮(ক) ও (খ) ধারাবলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৯(ক) ও (খ) ধারাবলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ১০(ক) ধারাবলে চেয়ারম্যান শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ৭

 

(২)

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান]বা কোন সদস্যকে উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোন কারণে

তাঁহার পদ হইতে অপসারণ করা যাইবে না, যদি না বিধি অনুযায়ী তদুদ্দেশ্যে আহুত পরিষদের বিশেষ

সভায় মোট সদস্য সংখ্যার অন্যুন চার-পঞ্চমাংশ ভোটে তাহার অপাসারণের পক্ষে প্রসঙাব গৃহীত এবং

প্রসঙাবটি সমঙর্কে প্রয়োজনীয় তদমেঙর পর উহা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হয়ঃ

         তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ সিদ্ধামঙ গ্রহণের পঙর্বে [চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান] বা উক্ত

সদস্যকে প্রসঙাবিত সিদ্ধামেঙর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার জন্য যুক্তিসংগত সুযোগদান করিতে হইবে।

        (৩)  উপ-ধারা (২) অনুাযায়ী গৃহীত প্রসঙাব সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হইলে অনুমোদনের তারিখে

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান]বা উক্ত সদস্য তাহার পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য

হইবেন।

         (৪)  ধারা-৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) ও (গ) এর কোন সদস্য অপসারিত হইলে সংশি­ষ্ট

পৌরসভার কিংবা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানদের মধ্য হইতে ক্রমানুসারে পরিষদের শুন্যপদে

স্থলাভিষিক্ত হইবেন এবং তিনি এই আইনের অধীন নির্বাচিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

          (৫)  এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা অনুযায়ী অপসারিত

কোন ব্যক্তি পরিষদের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য পরিষদের [চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান] বা মহিলা সদস্য

পদে নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না।

১৪।  

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান] ও মহিলা সদস্য পদ শুন্য হওয়া।- (১)

চেয়ারম্যান বা কোন মহিলা সদস্যদের পদ শুন্য হইবে, যদি -

(ক) তাঁহার নাম সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি ধারা ৯ এ

নির্ধারিত শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ব্যর্থ হনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পঙর্বে সরকার বা তৎকর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ

যথার্থ কারণে ইহা বর্ধিত করিতে পারিবে;

(খ) তিনি ধারা ৮ এর অধীনে তাঁহার পদে থাকার অযোগ্য হইয়া যান;

(গ) তিনি ধারা ১২ এর অধীনে তাহার পদ ত্যাগ করেন;

(ঘ) তিনি ধারা ১৩ এর অধীনে তাঁহার পদ হইতে অপসারিত হন;

(ঙ) তিনি ইউনিয়ন বা পৌর প্রতিনিধি বা মহিলা সদস্য হন, এবং সংশি­ষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পেŠরসভার

চেযারম্যান বা সদস্য বা কমিশনার না থাকেন;

(চ) তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 

(২)   [চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান]বা কোন মহিলা সদস্যের পদ শুন্য হইলে সরকার বিষয়টি অবিলম্বে

সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিবে।

 

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ১০(খ), (গ) ও (ঙ), ১১(ক), (খ) ও (গ)  ধারাবলে চেয়ারম্যান শব্দের

পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন এর ১০(ঘ) ধারাবলে (খ) ও (গ) বন্ধনীগুলি ও বর্ণগুলির পরিবর্তে (গ) ও (ঘ)

বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত।

 ৮

     

১৫।   অস্থায়ী চেয়ারম্যান ও প্যানেল।-  (১)  পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩০ দিনের

মধ্যে পরিষদ উহার সদস্যগণের মধ্য হইতে তিনজন সদস্য সমন্বয়ে একটি প্যানেল গঠন করিবে।

(২)   প্যানেলে অমঙতঃ একজন মহিলা থাকিবেন যিনি ধারা ৬ (ঘ) তে উলি­খিত কোন মহিলা সদস্য

হইতে পারেন অথবা ধারা ৬ (খ) ও (গ)তে উলি­খিত সদস্যও হইতে পারেন।

 (৩)  চেয়ারম্যানের পদ কোন কারণে শুন্য হইলে বা অনুপস্থিতি বা অসুস্থ্যতাহেতু বা অন্য কোন

কারণে চেয়ারম্যান তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, নুতন নির্বাচিত চেয়ারম্যান তাহার

 

 

 

পদে যোগদান না করা পর্যমঙ বা পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যমঙ,

প্যানেলভুক্ত সদস্যদের মধ্যে যাহার নাম শীর্ষে থাকে বা তাহার অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে

পরবর্তী সদস্য পরিষদের চেয়ারম্যানরূপে দায়িত্ব পালন করিবেন, এবং উক্ত সদস্য উক্ত

সময়ে অস্থায়ী চেয়ারম্যান বলিয়া অভিহিত হইবেন।

১৬।   আকস্মিক পদ শুন্যতা পুরণ।- পরিষদের মেয়াদ শেষ হইবার তারিখের-

(ক) একশত আশি দিন বা তদাপেক্ষ বেশী সময় পুর্বে

[চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের]

পদ শুন্য হইলে;

(খ) নববই দিন বা তদাপেক্ষ বেশী সময় পুর্বে কোন মহিলা সদস্যের পদ শুন্য হইলে;

[পদটি শুন্য হওয়ার ষাট দিনের মধ্যে] বিধি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে উক্ত

শুন্য পদ পুরণ করিতে হইবে, এবং যিনি উক্ত পদে নির্বাচিত হইবেন তিনি পরিষদের

অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য উক্ত পদে বহাল থাকিবেন।

 

     ১৭।  নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়।- (১) নিম্নবর্ণিত সময়ে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা

সদস্যগণের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে, যথা ঃ--

 

 

(ক) প্রথম তফসিলভূক্ত উপজেলাসমঙহের ক্ষেত্রে, এই আইন বলবৎ হওয়ার পর তিনশত ত্রিশ

দিনের মধ্যে;

 

      তবে শর্ত থাকে যে, কোন দৈবদুর্বিপাকজনিত বা অন্যবিধ অনিবার্য কারণে উক্ত

সময়সীমার মধ্যে প্রথম তফসিলভহক্ত কোন বিশেষ বা সকল উপজলোর ক্ষেত্রে নির্বাচন

অনুষ্ঠান সম্ভব না হইলে নির্বাচন কমিশন সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা উক্ত

সময়সীমার পরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক তারিখ নির্ধারণ করিতে

পারিবে;]

                                                

 ১৯৯৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ১২ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

 ১৯৯৯ সনের ২৭ নং আইন এর ১৩ ও (১৪) ধারাবলে "চেয়ারম্যান" শব্দটির পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ১৯৯৯ সনের ২২ নং আইন-এর ৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

 উপরোক্ত আইন এর ৬(ক) ধারাবলে দফা (ক) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ৯

(খ) ধারা ৩(২) এর অধীনে ঘোষিত নতুন উপজেলার ক্ষেত্রে, উক্তরূপ ঘোষণার একশত

আশি দিনের মধ্যে;।

(গ) পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার তারিখের পঙর্ববর্তী

[একশত আশি] দিনের মধ্যে; এবং

 

       (২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এবং (খ) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,

দৈবদুর্বিপাকজ নিত বা অন্যবিধ অনিবার্য কারণে উক্ত দফাসমঙহে উলি­খিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন

অনুষ্ঠান সম্ভব না হইলে নির্বাচন কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত সময়সীমার পরে

উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক তারিখ নির্ধারণ করিতে পারিবে।’’।

১৮। পরিষদের প্রথম সভা আহ্বান।- ধারা ৯ এর অধীনে শপথ অনুষ্ঠানের শপথ

অনুষ্ঠানের পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে পরিষদের প্রথম সভা বিধি দ্বারা নির্ধারিত ব্যক্তি আহ্বান করিবেন।

১৯। ভোটার তালিকা ও ভোটাধিকার।- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রস্ত্ততকৃত

আপাততঃ বলবৎ ভোটার তালিকার যে অংশ সংশি­ষ্ট উপজেলাভূক্ত এলাকা সংক্রামঙ, ভোটার তালিকার সেই

অংশ-

(ক)      চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা হইবে;

 (খ)     কোন ব্যক্তির নাম উক্ত ভোটার তালিকায় আপাততঃ লিপিবদ্ধ থাকিলে তিনি চেয়ারম্যানের

নির্বাচনে ভোট দিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হইতে পারিবেন।

 

২০। নির্বাচন পরিচালনা।- (১) সংবিধান অনুযায়ী গঠিত নির্বাচন কমিশন, অতঃপর

নির্বাচন কমিশন বলিয়া উলি­খিত, এই আইন ও বিধি অনুযায়ী

(চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান) ও মহিলা

সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠানও পরিচালনা করিবে।

 (২)   সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যদের নির্বাচনের জন্য

বিধি প্রণয়ন করিবে এবং অনুরূপ বিধিতে নিম্নবর্ণিত সকল অথবা যে কোন বিষয়ে বিধান করা

যাইবে;

(ক) নির্বাচন পরিচালনার উদ্দেশ্যে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রজিাইডিং

অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসার নিযোগ এবং তাহাদের

ক্ষমতা ও দায়িত্ব;

(খ) মহিলা সদস্য নির্বাচনের জন্য এলাকা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং মহিলা

সদস্য নির্বাচন পদ্ধতি;

(গ) প্রার্থী মনোনয়ন, মনোনয়নের ক্ষেত্রে আপত্তি এবং মনোনয়ন বাছাই;

(ঘ) প্রার্থীগণ কর্তৃক প্রদেয় জামানত এবং উক্ত জামানত ফেরত প্রদান বা বাজেয়াপ্তকরণ;

(ঙ) প্রার্থী পদ প্রত্যাহার;

                                                

 ১৯৯৯ সনের ২৭ নং আইন এর ৬ (খ) ধারাবলে "ষাট" শব্দটির পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ১৯৯৯ সনের ২৭ নং আইন এর ১৫ ধারাবলে (ক) ও (খ) দফার পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ১৯৯৯ সনের ২৭ নং আইন এর ১৬ (ক) ও (খ) ধারাবলে শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত।

 ১০

(চ) প্রার্থীগণের এজেন্ট নিয়োগ;

(ছ) প্রতিদ্বন্দিতা এবং বিনা প্রতিদ্বন্দিতার ক্ষেত্রে নির্বাচন পদ্ধতি;

(জ) ভোট গ্রহণের তালিকা, সময় ও স্থান এবং নির্বাচন পরিচালনা সংক্রামঙ অন্যান্য বিষয়;

(ঝ) ভোটদানের পদ্ধতি;

(ঞ) ব্যালট পেপার এবং নির্বাচন সংক্রামঙ অন্যান্য কাগজপত্রের হেফাজত ও বিলিবন্টন;

(ট) যে অবস্থায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা যায় এবং পুনরায় ভোট গ্রহণ করা যায়;

(ঠ) নির্বাচন ব্যয়;

(ড) নির্বাচনের দুর্নীতিমুলক বা অবৈধ কার্যকলাপ ও অন্যান্য নির্বাচন অপরাধ এবং উহার

দন্ড;

(ঢ) নির্বাচন বিরোধ, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ও

[নির্বাচন আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠন], নির্বাচনী

দরখাসঙ দায়ের, নির্বাচন বিরোধ নিসঙত্তির ব্যাপারে উক্ত ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা ও

অনুসরণীয় পদ্ধতিসহ আনুষংগিক বিষয়াদি; এবং

(ণ)     নির্বাচন সমঙর্কিত আনুষংগিক অন্যান্য বিষয়।

 

(৩)   উপ-ধারা (২) (ড) এর অধীন প্রণীত বিধিতে কারাদন্ড, অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডের বিধান করা

যাইবে, তবে কারাদন্ডের মেয়াদ

[সাত বৎসরের] অধিক হইবে না।

 

২১। চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যগণের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ।-

চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্য হিসাবে নির্বাচিত সকল ব্যক্তির নাম নির্বাচনের পর যথাশীঘ্র সম্ভব, নির্বাচন কমিশন

সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিবে।

 

২২। চেয়ারম্যান বা সদস্যগণ কর্তৃক কার্যভার গ্রহণ ।- চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ

পরিষদের সভায় প্রথম যে তারিখে যোগদান করিবেন সেই তারিখে তাহার স্বীয় পদের কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন

বলিয়া গণ্য হইবে।

 

[২২ক। নির্বাচন বিরোধ, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি।- (১) এই আইনের অধীন

কোন নির্বাচন বা নির্বাচনী কার্যক্রম সমঙর্কে নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের

নিকট প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

 

                                                

 ১৯৯৯ সনের ২২ নং আইন-এর ৭ ধারাবলে "নির্বাচনী আপীল নিয়োগ" শব্দগুলির পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 উপরোক্ত আইন এর ৭(খ) ধারাবলে দুই বৎসরের অধিক এবং অর্ধদন্ডের পরিমাণ দশ হাজার টাকার

শব্দগুলির পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত;

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ১৭ ও ১৮ ধারাবলে শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত।

 ১৯৯৯ সনের ২২ নং আইন-এর ৮ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

 ১১

(২)  এই আইনের অধীন নির্বাচন সমঙর্কিত বিরোধ নিসঙত্তির উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন, সাব-জজ

পদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় একজন কর্মকর্তা সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল এবং

একজন জেলাজজ পদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাচন আপীল

ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে। 

 

(৩)   কোন নির্বাচনের জন্য মনোনীত প্রার্থী সেই নির্বাচনের কোন বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন ও প্রতিকার

 

প্রার্থনা করিয়া নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে দরখাসঙ করিতে পারিবেন; অন্য কোন ব্যক্তি এইরূপ দরখাসঙ

করিতে পারিবে না।  

২২খ।  নির্বাচনী দরখাসঙ বা আপীল বদলীকরণের ক্ষমতা।- নির্বাচন কমিশন নিজ

উদ্যোগে অথবা পক্ষগণের কোন এক পক্ষ কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে পেশকৃত আবেদনের প্রেক্ষিতে যে কোন পর্যায়ে

একটি নির্বাচনী দরখাসঙ এক নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল হইতে অন্য ট্রাইব্যুনালে অথবা একটি আপীল ট্রাইব্যুনাল হইতে

অপর একটি আপীল ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে; এবং যে ট্রাইব্যুনালে বা আপীল ট্রাইব্যুনালে তাহা বদলী

করা হয় সেই ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল উক্ত দরখাসঙ বা আপীল যে পর্যায়ে বদলী করা হহইয়াছে সেই

পর্যায় হইতে উহার বিচারকার্য চালাইয়া যাইবেঃ

 

 

তবে শর্ত থাকে যে, নির্বাচনী দরখাসঙ যে ট্রাইব্যুনালে বদলী করা হইয়াছে সেই ট্রাইব্যুনাল উপযুক্ত

মনে করিলে ইতিপঙর্বে পরীক্ষিত কোন সাক্ষী পুনরায় তলব বা পুনরায় পরীক্ষা করিতে পারিবে এবং

অনুরূপভাবে আপীল ট্রাইব্যুনালও এই ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।

২২গ।  বিধি অনুযায়ী নির্বাচনী দরখাসঙ, আপীল নিসঙত্তি ইত্যাদি।- নির্বাচনী

দরখাসেঙর পক্ষ, নির্বাচনী দরখাসঙ ও নির্বাচন আপীল দায়েরের পদ্ধতি, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ও নির্বাচন আপীল

ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্বাচন বিরোধ নিসঙত্তির ব্যাপারে অনুসরণীয় পদ্ধতি, উক্ত ট্রাইব্যুনালসমুহের এখতিয়ার ও

ক্ষমতা, সংশি­ষ্ট পক্ষকে প্রদেয় প্রতিকার এবং আনুষংগিক সকল বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।"]

 

২৩।  পরিষদের কার্যাবলী।- (১) দ্বিতীয় তফসিলে উলি­খিত কার্যাবলী পরিষদের

কার্যাবলী হইবে এবং পরিষদ উহার তহবিলের সংগতি অনুযায়ী এই কার্যাবলী সমঙাদন করিবে।

 

 

(২)  সরকার প্রয়োজনবোধে পরিষদ ও অন্যান্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কার্যাবলীর বিবরণ

সুনির্দিষ্টকরণের জন্য সরকারী প্রজ্ঞাপন জারী করিয়া প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারিবে।

২৪।   সরকার ও পরিষদের কার্যাবলী হসঙামঙর ইত্যাদি।- (১) এই আইন অথবা

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার পরিষদের সহিত আলোচনাক্রমে,-

 

(ক) পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত কোন প্রতিষ্ঠান বা কর্ম সরকারের ব্যবস্থাপনায় ও নিয়মঙণে; এবং

(খ) তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত এবং সরকার কর্তৃক উপজেলা বা থানার এলাকায় পরিচালিত কোন

প্রতিষ্ঠান বা কর্ম, উক্ত প্রতিষ্ঠান বা কর্মের সহিত সংশি­ষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এবং

আনুসংগিক বিষয়াদি পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ও নিয়মঙণে;

 

হসঙামঙর করার নির্দেশ দিতে পারিবে।

 ১২

(২)  হসঙামঙরিত বিষয়ে দায়িত্বপালনরত কর্মকর্তাদের বার্ষিক কার্যক্রম প্রতিবেদন (অহহঁধষ

চবৎভড়ৎসধহপব জবঢ়ড়ৎঃ) পরিষদ কর্তৃক এবং তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন দপ্তরের উর্ধ্বতন

কর্মকর্তা কর্তৃক লেখা হইবে।

(৩) উপজেলা পরিষদের কাছে সরকারের যে সকল বিষয়, সংশি­ষ্ট দপ্তর ও তাহাদের

কর্মকর্তা/ কর্মচারী হসঙামঙর করা হইবে, নতুন প্রেক্ষিতে তাহাদের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও উপদেশ

প্রদান ও নির্দেশি কা জারীর জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসমঙন্ন কমিটি গঠন করা হইবে এবং

কমিটির সামগ্রিক দvায়ত্ব মমিঙপরিষদ বিভাগের উপর ন্যসঙ থাকিবে।

 

২৫। পরিষদের উপদেষ্টা।- গণপ্রজাতমঙী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫- এর অধীন

একক আঞ্চলিক এলাকা হইতে নির্বাচিত সংশি­ষ্ট সংসদ-সদস্য পরিষদের উপদেষ্টা হইবেন এবং পরিষদ

উপদেষ্টার পরামর্শ গ্রহণ করিবেন।

২৬। নির্বাহী ক্ষমতা।- (১) এই আইনের অধীন যাবতীয় কার্যাবলী যথাযথভাবে সমঙাদনের

জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করিবার ক্ষমতা পরিষদের থাকিবে।

 

 

 

(২)  এই আইন বা বিধিতে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা চেয়ারম্যানের

উপর ন্যসঙ হইবে এবং এই আইন ও বিধি অনুযায়ী চেয়রাম্যান কর্তৃক প্রত্যক্ষভাবে অথবা

তাঁহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রযুক্ত হইবে।

(৩)  পরিষদের নির্বাহী বা অন্য কোন কার্য পরিষদের নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে

এবং উহা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রমাণীকৃত হইতে হইবে।

২৭। কার্যাবলী নিসঙন্ন।- (১) পরিষদের কার্যাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ও

পদ্ধতিতে উহার সভায় বা কমিটিসমঙহের সভায় অথবা উহার

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সদস্য, কর্মকর্তা

বা কর্মচারী কর্তৃক নিসঙন্ন করা হইবে।

 

(২)  পরিষদের সকল সভায় চেয়ারম্যান, এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব

করিবেন।

(৩) পরিষদের কোন সদস্য পদ শঙন্য রহিয়াছে বা উহার গঠনে কোন ত্রুটি রহিয়াছে কেবল এই

কারণে কিংবা পরিষদের বৈঠকে উপস্থিত হইবার বা ভোট দানের বা অন্য কোন উপায়ে উহার

কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল

এই কারণে পরিষদের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(৪) পরিষদের প্রত্যেক সভার কার্যবিবরণীর একটি করিয়া অনুলিপি সভা অনুষ্ঠিত হইবার তারিখের

১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে সরকারের

ও সংশি­ষ্ট এলাকার সংসদ-সদস্যের নিকট প্রেরণ

করিতে হইবে।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ১৯ ধারাবলে ধারা ২৫-এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২০  ধারাবলে ধারা ২-এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২১  ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২১(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ১৩

২৮। পরিষদের সভার কর্মকর্তা ইত্যাদির উপস্থিতি।- (১) পরিষদের সভায়

আলোচ্য বা নিসঙত্তিযোগ্য কোন বিষয় সমঙর্কে মতামত প্রদান বা পরিষদকে অন্যবিধভাবে সহায়তা করার জন্য

উপজেলা বা থানা পর্যায়ের সংশি­ষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত থাকিবেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করিতে ও তাহার

মতামত ব্যক্ত করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।

 

(২) পরিষদ প্রয়োজনবোধে যে কোন বিষয়ে মতামত প্রদানের উদ্দেশ্যে উহার সভায় যে

কোন ব্যক্তিকে আমমঙণ জানাইতে, উপস্থিত থাকিবার এবং মতামত ব্যক্ত করিবার সুযোগ দিতে

পারিবে।

 

২৯। কমিটি।- (১) পরিষদ উহার কাজের সহায়তার জন্য প্রয়োজনবোধে চেয়ারম্যান বা যে

কোন সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কমিটি নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ

কমিটির সদস্য সংখ্যা ও ইহার দায়িত্ব এবং কার্যধারা নির্ধারণ করিতে পারিবে।

 

পরিষদ নিম্নবর্ণিত বিষয়ে ১ (এক)টি করিয়া স্থায়ী কমিটি গঠন করিবেঃ-

 

(২) আইন-শৃঙ্খলা;

(৩) যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন;

(৪) কৃষি  ও সেচ;

(৫) শিক্ষা; 

(৬) স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা;

(৭) যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন;

(৮) মহিলা ও শিশু উন্নয়ন;

(৯) সমাজকল্যান;

(১০) ভুমি;

(১১) মৎস্য ও পশু সমঙদ;

(১২) পল­xউনণয়ন ও সমবায়;

(১৩) তথ্য ও সংষ্কৃতি;

(১৪) বন ও পরিবেশ;

(১৫) বাজার মঙল্য পর্যবেক্ষণ, মনিটরিং ও নিয়মঙণ।

                                                 

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২২ ধারাবলে ধারা ২৯ প্রতিস্থাপিত।

 ১৪

(১৬) সংশি­ষ্ট উপজেলা কর্মকর্তা এই ধারার অধীন গঠিত তদসংশি­ষ্ট স্থায়ী কমিটির সদস্য- সচিব

হইবে।

(১৭) স্থায়ী কমিটি ইহার কাজের সুবিধার্থে সংশি­ষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোন একজন ব্যক্তিকে কমিটির

সদস্য হিসাবে অমঙভুক্ত (ঈড়-ঙঢ়ঃ) করিতে পারিবে।

(১৮) স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধামঙ গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিটিতে অমঙভুক্ত সদস্য (ঈড়-ঙঢ়ঃ

সবসনবৎ) এবং সদস্য-সচিবের কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।]

০। চুক্তি।- (১) পরিষদ কর্তৃক বা উহার পক্ষে সমঙাদিত সকল চুক্তি -

(ক) লিখিত হইতে হইবে এবং পরিষদের নামে সমঙাদিত হইবে;

(খ) বিধি অনুসারে সমঙাদিত হইতে হইবে।

(২) কোন চুক্তি সমঙাদনের অব্যবহিত পরে অনুষ্ঠিত পরিষদের সভায় চেয়ারম্যান চুক্তিটি উপস্থাপন

করিবেন এবং এই চুক্তির উপর সকল সদস্যের আলোচনার অধিকার থাকিবে।

(৩) পরিষদ প্রসঙাবের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি সমঙাদনের জন্য পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে

এবং চেয়ারম্যান চুক্তি সমঙাদনের ব্যাপারে উক্ত প্রসঙাব অনুযায়ী কাজ করিবেন।

(৪) এই ধারার খেলাপ সমঙাদিত কোন চুক্তির দায়িত্ব পরিষদের উপর বর্তাইবে না।

৩১। নির্মাণ কাজ।- সরকার, সরকারী গেজেটের মাধ্যমে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে সাধারণ নীতিমালা

প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথাঃ-

(ক) পরিষদ কর্তৃক সমঙাদিতব্য সকল নির্মাণ কাজের পরিকল্পনা এবং আনুমানিক ব্যয়ের হিসাব

প্রণয়ন;

(খ) উক্ত পরিকল্পনা ও ব্যয় কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এবং কি শর্তে প্রযুক্তিগতভাবে এবং

প্রশাসনিকভাবে অনুমোদিত হইবে, তাহা নির্ধারণ;

(গ) উক্ত পরিকল্পনা ও ব্যয়ের হিসাব কাহার দ্বারা প্রণয়ন করা হইবে এবং উক্ত নির্মাণ কাজ

কাহার দ্বারা সমঙাদন করা হইবে, তাহা নির্ধারণ।

৩২। নথিপত্র, প্রতিবেদন ইত্যাদি।- পরিষদ -

(ক) উহার কার্যাবলীর নথিপত্র সংরক্ষণ করিবে;

(খ) বিধিতে উলি­খিত বিষয়ের উপর সাময়িক প্রতিবেদন ও বিবরণী প্রণয়ন ও প্রকাশ করিবে;

(গ) উহার কার্যাবলী সমঙর্কে তথ্য প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় বা সরকার কর্তৃক সময় সময়

নির্দেশিত অন্যান্য ব্যবস্থাও গ্রহণ করিতে পারিবে।

৩৩। পরিষদের সচিব।- উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিষদের সচিব হইবেন এবং তিনি

পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৩  ধারাবলে ধারা ৩৩ প্রতিস্থাপিত।

 ১৫

৩৪। পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ।- (১) পরিষদের কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে

সমঙাদনের নিমিত্ত পরিষদ সরকারের পঙর্বানুমোদনক্রমে, বিভিন্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদে বিধি অনুযায়ী

নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) পরিষদ কর্তৃক নিয়োগযোগ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকুরীর শর্তাদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত

হইবে।

৩৫। পরিষদের তহবিল গঠন।- (১) সংশি­ষ্ট উপজেলার নাম সম্বলিত প্রত্যেক উপজেলা

পরিষদের একটি তহবিল থাকিবে।

(২) পরিষদের তহবিলে নিম্নলিখিত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ-

(ক) পরিষদ কর্তৃক ধার্যকৃত কর, রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য দাবী বাবদ প্রাপ্ত অর্থ;

(খ) পরিষদের উপর ন্যসঙ এবং তৎকর্তৃক পরিচালিত সকল সমঙত্তি হইতে প্রাপ্ত আয় বা

মুনাফা;

(গ) ধারা ২৪-এর অধীনে পরিষদের নিকট হসঙামঙরিত প্রতিষ্ঠান বা কর্ম পরিচালনাকারী

জনবলের বেতন, ভাতা এবং এতদ্সংক্রামঙ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ বাবদ সরকার প্রদত্ত

অর্থ;

(ঘ) সরকার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষের অনুদান;

(ঙ) কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(চ) পরিষদের অর্থ বিনিয়োগ হইতে মুনাফা;

(ছ) পরিষদ কর্তৃক প্রাপ্ত অন্য কোন যে কোন অর্থ;

(জ) পরিষদের তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থ;

(ঝ) সরকারের নির্দেশে পরিষদের উপর ন্যসঙ অন্যান্য আয়ের উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ।

৩৬। পরিষদের তহবিল সংরক্ষণ, বিনিয়োগ ও বিশেষ তহবিল।- (১) পরিষদের

তহবিলে জমাকৃত অর্থ কোন সরকারী ট্রেজারীতে বা সরকারী ট্রেজারীর কার্য পরিচালনাকারী কোন ব্যাংকে অথবা

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন প্রকারে জমা রাখা হইবে।

(২) পরিষদ উহার তহবিলের কিছু অংশ, যাহা বিধি দ্বারা নির্ধারিত হয় তাহা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত

পদ্ধতিতে ও খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।

(৩) পরিষদ ইচ্ছা করিলে কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে আলাদা তহবিল গঠন করিতে পারিবে এবং বিধি

দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত তহবিল পরিচালনা করিবে।

৩৭। পরিষদের তহবিলের প্রয়োগ।- (১) পরিষদের তহবিলের অর্থ নিম্নলিখিত খাতে

অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ব্যয় করা যাইবে, যথাঃ-

প্রথমতঃ পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা প্রদান;

দ্বিতীয়তঃ   এই আইনের অধীন পরিষদের তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়;

 ১৬

তৃতীয়তঃএই আইন বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন দ্বারা ন্যসঙ পরিষদের সমঙাদন

এবং কর্তব্য পালনের জন্য ব্যয়;

চতুর্থতঃ সরকারের পঙর্বানুমোদনক্রমে পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত পরিষদের তহবিলের উপর

দায়যুক্ত ব্যয়;

পঞ্চমতঃসরকার কর্তৃক ঘোষিত পরিষদের তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়।

(২) পরিষদের তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয় নিম্নরূপ হইবে, যথাঃ-

(ক) পরিষদের চাকুরীতে নিয়োজিত কোন সরকারী কর্মচারীর জন্য দেয় অর্থ;

(খ) কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক পরিষদের বিরুদ্ধে প্রদত্ত কোন ব্যয়, ডিক্রী বা

রোয়েদাদ কার্যকর করিবার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ;

(গ) সরকার কর্তৃক দায়যুক্ত বলিয়া নির্ধারিত অন্য যে কোন ব্যয়।

(৩) পরিষদের তহবিলের উপর দায়যুক্ত কোন ব্যয়ের খাতে যদি কোন অর্থ অপরিশোধিত থাকে,

তাহা হইলে যে ব্যেক্তির হেফাজতে উক্ত তহবিল থাকিবে সে ব্যক্তিকে সরকার আদেশ দ্বারা উক্ত তহবিল হইতে,

যতদুর সম্ভব, ঐ অর্থ পরিশোধ করিবার জন্য আদেশ দিতে পারিবে।

৩৮। বাজেট।- (১) প্রতি অর্থ-বৎসর শুরু হইবার অমঙতঃ ষাট দিন পঙর্বে পরিষদ উক্ত বৎসরের

আয় ও ব্যয় সম্বলিত বিবরণী, অতঃপর বাজেট বলিয়া উলি­খিত, সরকার প্রণীত নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রণয়ন

করিয়া উহার অনুলিপি পরিষদের নোটিশ বোর্ডে অমঙতঃ পনের দিনব্যাপী জনসাধারণের অবগতি, মমঙব্য ও

পরামর্শের জন্য লটকাইয়া রাখিবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুসারে প্রদর্শিত বাজেট সমঙর্কে জনগণের মমঙব্য ও পরামর্শ বিবেচনাক্রমে

পরিষদ সংশি­ষ্ট অর্থ-বৎসর শুরু হওয়ার ত্রিশ দিন পঙর্বে বাজেটটি অনুমোদন করিয়া উহার একটি অনুলিপি জেলা

প্রশাসন ও সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৩) কোন অর্থ-বৎসর শুরু হইবার পঙর্বে পরিষদ ইহার বাজেট অনুমোদন করিতে না পারিলে সরকার

উক্ত বৎসরের জন্য একটি আয়-ব্যয় বিবরণী প্রস্ত্তত করাইয়া উহা প্রত্যয়ন করিবে এবং এইরূপ প্রত্যয়নকৃত

বিবরণী পরিষদের অনুমোদিত বাজেট বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীনে বাজেটের অনুলিপি প্রাপ্তির পনের দিনের মধ্যে সরকার আদেশ দ্বারা

বাজেটটি সংশোধন করিতে পারিবে এবং অনুরূপ সংশোধিত বাজেটই পরিষদের অনুমোদিত বাজেট বলিয়া গণ্য

হইবে।

(৫) কোন অর্থ বৎসর শেষ হইবার পঙর্বে যে কোন সময় সেই অর্থ-বৎসরের জন্য, প্রয়োজন হইলে,

পরিষদ একটি সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন ও অনুমোদন করিতে পারিবে এবং উক্ত সংশোধিত বাজেটের ক্ষেত্রেও

এই ধারার বিধানাবলী, যতদুর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।

 ১৭

(৬) এই আইন মোতবেক গঠিত পরিষদ প্রথমবার যে অর্থ-বৎসরে দায়িত্ব গ্রহণ করিবে সেই অর্থবৎসরের

বাজেট উক্ত দায়িত্বভার গ্রহণের পর অর্থ-বৎসরটির

বাকী সময়ের জন্য প্রণীত হইবে এবং উক্ত

বাজেটের ক্ষেত্রেও এই ধারার বিধানাবলী যতদঙর সম্ভব প্রযোজ্য হইবে।

৩৯। হিসাব।- (১) পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফরমে রক্ষণ

করা যাইবে।

(২) প্রতিটি অর্থ-বৎসর শেষ হইবার পর পরিষদ একটি বার্ষিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব প্রস্ত্তত করিবে

এবং পরবর্তী অর্থ-বৎসরের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৩)  উক্ত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাবের একটি অনুলিপি জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য পরিষদ

কার্যালয়ের কোন প্রকাশ্য স্থানে স্থাপন করিতে হইবে এবং উক্ত হিসাব সমঙর্কে জনসাধারণের আপত্তি বা পরামর্শ

পরিষদ বিবেচনা করিবে।

৪০। হিসাব নিরীক্ষা।- (১) পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিধি

দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের দ্বারা নিরীক্ষিত হইবে।

(২) নিণীক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ পরিষদের সকল হিসাব সংক্রামঙ যাবতীয় বহি ও অন্যান্য দলিল দেখিতে

পারিবে এবং প্রয়োজনবোধে পরিষদের

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও যে কোন সদস্য, কর্মকর্তা ও

কর্মচারীকে জিজ্ঞসাবাদ করিতে পারিবে।

(৩) হিসাব নিরীক্ষার পর নিরীক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ সরকারের নিকট একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন পেশ

করিবে এবং উহাতে, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির উলে­খ থাকিবে, যথাঃ-

(ক) অর্থ আত্মসাৎ;

(খ) পরিষদের তহবিলের লোকসান, অপচয় এবং অপপ্রয়োগ;

(গ) হিসাব রক্ষণে অনিয়ম;

(ঘ) নিরীক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের মতে যাহারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উক্ত আত্মসাৎ, লোকসান,

অপচয়, অপ্রপ্রয়োগ ও অনিয়মের জন্য দায়ী তাহাদের নাম।

৪১। পরিষদের সমঙত্তি।- (১) সরকার বিধি দ্বারা -

(ক) পরিষদের উপর বা উহার তত্ত্বাবধানে ন্যসঙ বা উহার মালিকানাধীন সমঙত্তির ব্যবস্থাপনা,

রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য বিধান করিতে পারিবে;

(খ) উক্ত সমঙত্তির হসঙামঙরের নিয়মঙণ করিতে পারিবে।

                                                 

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ১৮

(২) পরিষদ -

(ক) উহার মালিকানাধীন বা উহার উপর বা উহার তত্ত্বাবধানে ন্যসঙ যে কোন সমঙত্তির

ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিদর্শন ও উন্নয়ন সাধন করিতে পারিবে;

(খ) এই আইনের উদ্দেশ্য পুরণকল্পে উক্ত সমঙত্তি কাজে লাগাইতে পারিবে;

(গ) দান, বিক্রয়, বন্ধক, ইজারা বা বিনিময়ের মাধ্যমে বা অন্য কোন পন্থায় যে কোন

সমঙত্তি অর্জন বা হসঙামঙর করিতে পারিবে।

 

৪২। উন্নয়ন পরিকল্পনা।- (১) পরিষদ উহার এখতিয়ারভূক্ত যে কোন বিষয়ে উহার তহবিলের

সংগতি অনুযায়ী পাঁচসালা পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্ত্তত ও বাসঙবায়ন করিতে পারিবে

এবং এইরূপ পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে পরিষদের এলাকাভূক্ত ইউনিয়ন পরিষদ বা উক্ত এলাকায় উন্নয়ন

কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমঙহ বা কোন ব্যক্তি বিশেষের পরামর্শ বিবেচনা করিতে

পারিবে।

(২) উক্ত পরিকল্পনায় নিম্নলিখিত বিষয়ের বিধান থাকিবে, যথাঃ-

(ক) কি পদ্ধতিতে পরিকল্পনায় অর্থ যোগান হইবে এবং উহার তদারক ও বাসঙবায়ন হইবে;

(খ) কাহার দ্বারা পরিকল্পনা বাসঙবায়িত হইবে;

(গ) পরিকল্পনা সমঙর্কিত অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়।

(৩) পরিষদ উহার প্রতিটি উন্নয়ন পরিকল্পনার

(বিষয়ে সংশি­ষ্ট সংসদ-সদস্যের সুপারিশ গ্রহণপঙর্বক)

একটি অনুলিপি উহার বাসঙবায়নের পঙর্বে সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে এবং জনসাধারণের অবগতির জন্য

পরিষদের বিবেচনায় যথাযথ পদ্ধতিতে প্রকাশ করিতে বা ক্ষেত্র বিশেষে তাহাদের মতামত বা পরামর্শ

বিবেচনাক্রমে উক্ত পরিকল্পনা সমঙর্কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।

৪৩। পরিষদের নিকট চেয়ারম্যান ইত্যাদির দায়।- পরিষদের

চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান অথবা উহার কোন সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারী অথবা পরিষদ প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বা পরিষদের

পক্ষে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রত্যক্ষ গাফিলতি বা অসদাচরণের কারণে পরিষদের কোন অর্থ বা সমঙদের

লোকসান, অপচয় বা অপপ্রয়োগ হইলে উহার জন্য তিনি দায়ী থাকিবেন এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে

সরকার তাহার এই দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করিবে এবং যে টাকার জন্য তাহাকে দায়ী করা হইবে সেই টাকা

সরকারী দাবী (চঁনষরপ উবসধহফ) হিসাবে তাহার নিকট হইতে আদায় করা হইবে।

৪৪। পরিষদ কর্তৃক আরোপণীয় কর ইত্যাদি।- পরিষদ, সরকারের পঙর্বানুমোদনক্রমে,

চতুর্থ তফিসেল উলি­খিত সকল অথবা যে কোন কর, রেইট, টোল এবং ফিস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে

আরোপ করিতে পারিবে।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৫  ধারাবলে সন্নিবেশিত।

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ১৯

৪৫। কর সমঙর্কিত প্রজ্ঞান ইত্যাদি।- (১) পরিষদ কর্তৃক আরোপিত সকল কর, রেইট,

টোল এবং ফিস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রজ্ঞাপিত হইবে এবং সরকার ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত

আরোপের বিষয়টি আরোপের পঙর্বে প্রকাশ করিতে হইবে।

(২)  কোন কর, টোল, রেইট বা ফিস আরোপের বা উহার পরিবর্তনের কোন প্রসঙাব অনুমোদিত

হইলে সরকার যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে উহা কার্যকর হইবে।

৪৬। কর সংক্রামঙ দায়।- কোন ব্যক্তি বা জিনিসপত্রের উপর কর, রেইট, টোল বা ফিস

আরোপ করা যাইবে কিনা উহা নির্ধারণের প্রয়োজনে পরিষদ, নোটিশের মাধ্যমে, সংশি­ষ্ট ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয়

তথ্য সরবরাহ করিতে বা দলিলপত্র, হিসাব বহি বা জিনিষপত্র হাজির করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে।

৪৭। কর আদায়।- (১) এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, পরিষদের সকল কর, রেইট,

টোল এবং ফিস বিধি দ্বারা নির্ধারি ত ব্যক্তির দ্বারা এবং পদ্ধতিতে আদায় করা হইবে।

(২) পরিষদের প্রাপ্য অনাদায়ী সকল প্রকার কর, রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য অর্থ সরকারী

দাবী (চঁনষরপ উবসধহফ) হিসাবে আদায়যোগ্য ইহবে।

৪৮। কর ইত্যাদি নির্ধারণের বিরুদ্ধে আপত্তি।- বিধি দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট ও

বিধি দ্বারা নির্ধারিত পন্থায় এবং সময়ের মধ্যে পেশকৃত লিখিত দরখাসঙ ছাড়া অন্য পন্থায় এই আইনের অধীন

ধার্যকৃত কোন কর, রেইট, টোল বা ফিস বা এতদ্সংক্রামঙ কোন সমঙত্তির মঙল্যায়ন অথবা কোন ব্যক্তির উহা

প্রদানের দায়িত্ব সমঙর্কে কোন আপত্তি উত্থাপন করা যাইবে না।

৪৯। কর বিধি।- (১) পরিষদ কর্তৃক ধার্যকৃত সকল কর, রেইট, টোল বা ফিস এবং অন্যান্য

দাবী বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ধার্য, আরোপ এবং নিয়মঙণ করা যাইবে।

(২) এই ধারায় উলি­খিত বিষয় সমঙর্কিত বিধি অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে কর দাতাদের করণীয় এবং

কর ধার্যকারী ও আদায়কারী কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সমঙর্কে বিধান থাকিবে।

৫০। পরিষদের উপর তত্ত্বাবধান।- এই আইনের উদ্দেশ্যের সহিত পরিষদের কার্যকলাপের

সামঞ্জস্য সাধনের নিশ্চয়তা বিধানকল্পে সরকার পরিষদের উপর সাধারণ তত্ত্বাবধান ও নিয়মঙণ ক্ষমতা প্রযোগ

করিবে।

৫১। পরিষদের কার্যাবলীর উপর নিয়মঙণ।- (১) সরকার যদি এইরূপ অভিমত পোষণ

করে যে, পরিষদ কর্তৃক বা পরিষদের পক্ষে কৃত বা প্রসঙাবিত কোন কাজকর্ম আইনের সহিত সংগতিপঙর্ণ নহে

অথবা জনস্বার্থের পরিপন্থী, তাহা হইলে সরকার আদেশ দ্বারা-

(ক) পরিষদের উক্ত কার্যক্রম বাতিল করিতে পারিবে;

(খ) পরিষদ কর্তৃক গৃহীত কোন প্রসঙাব অথবা প্রদত্ত কোন আদেশের বাসঙবায়ন সাময়িকভাবে

স্থগিত করিতে পারিবে।

(গ) প্রসঙাবিত কোন কাজকর্ম সমঙাদন নিষিদ্ধ করিতে পারিবে;

 ২০

(ঘ) পরিষদকে আদেশে উলি­খিত কোন কাজ করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন আদেশ প্রদত্ত হইলে পরিষদ আদেশ প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে

উহা পুনঃ বিবেচনার জন্য সরকার আবেদন করিতে পারিবে।

(৩) উক্ত আবেদন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সরকার উক্ত আদেশটি হয় বহাল রাখিবে নতুবা

সংশোধন অথবা বাতিল করিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে পরিষদকে উহা অবহিত করিবে।

(৪) যদি কোন কারণে উলি­খিত সময়ের মধ্যে সরকার উক্ত আদেশ বহাল অথবা সংশোধন না করে

তাহা হইলে উহা বাতিল বলিয়া গণ্য ইহবে।

৫২। পরিষদের বিষয়াবলী সমঙর্কে তদমঙ।- (১) সরকার, স্বেচ্ছায় অথবা কোন ব্যক্তির

আবেদনের ভিত্তিতে, পরিষদের বিষয়াবলী সাধারণভাবে অথবা তৎসমঙর্কিত কোন বিশেষ ব্যাপার সম্বন্ধে তদমঙ

করিবার জন্য কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে এবং উক্ত তদমেঙর রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে

গৃহীতব্য প্রয়োজনীয় প্রতিকারমঙলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার জন্যও নির্দেশ দিতে পারিবে।

(২) উক্ত তদমঙ্কারী কর্মকর্তা তদমেঙর প্রয়োজনে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং সাক্ষীর উপস্থিতি ও দলিল

উপস্থাপন নিশ্চিতকরণের জন্য ঈড়ফব ড়ভ ঈরারষ চৎড়পবফঁৎব, ১৯০৮ (অপঃ ঠ ড়ভ ১৯০৮) এর অধীন

এতদ্সংক্রামঙ বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের যে ক্ষমতা আছে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।

৫৩। পরিষদ বাতিলকরণ।- (১)  যদি প্রয়োজনীয় তদমেঙর পর সরকার এইরূপ অভিমত

পোষণ করে যে, পরিষদ-

(ক) উহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ অথবা ক্রমাগতভাবে উহার দায়িত্ব্ পালনে ব্যর্থ হইয়াছে;

(খ) উহার প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পালনে অসমর্থ;

(গ) সাধারণতঃ এমন কাজ করে যাহা জনস্বার্থ বিরোধী;

(ঘ) অন্য কোনভাবে উহার ক্ষমতার সীমা লংঘন বা ক্ষমতার অপব্যবহার করিয়াছে বা

করিতেছে;

       তাহা হইলে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, পরিষদকে বাতিল করিতে

পারিবেঃ

      তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত আদেশ প্রদানের পঙর্বে পরিষদের সদস্যগণকে প্রসঙাবিত

বাতিলকরণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হইবে।

 ২১

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন আদেশ প্রকাশিত হইলে-

(ক) পরিষদের

চেয়ারম্যান, ভাইসচেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ তাহাদের পদে বহাল

থাকিবেন না;

(খ) বাতিল থাকাকালীন সময়ে পরিষদের যাবতীয় দায়িত্ব সরকার কর্তৃক নিয়োজিত কোন

ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ পালন করিবে।

(৩) বাতিলাদেশ সরকারী গেজেট জারীর একশত বিশ দিনের মধ্যে এই আইন ও বিধি মোতাবেক

পরিষদ পুনগর্ঠিত হইবে।

৫৪। যুক্ত কমিটি।- পরিষদ অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহিত একত্রে উহাদের সাধারণ

স্বার্থ-সংশি­ষ্ট কোন বিষয়ের জন্য যুক্ত কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং অনুরূপ কমিটিকে উহার যে কোন

ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে।

৫৫। পরিষদ ও অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিরোধ।- পরিষদ এবং অন্য কোন

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দিলে বিরোধীয় বিষয়টি নিসঙত্তির জন্য সরকারের নিকট প্রেরিত

হইবে এবং এই ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধামঙ চূড়ামঙ হইবে।

৫৬। অপরাধ।- পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত কোন করণীয় কাজ না করা এবং করণীয় নয় এই প্রকার

কাজ করা এই আইনের অধীন দন্ডনীয় অপরাধ হইবে।

৫৭। দন্ড।- এই আইনের অধীন কোন অপরাধের জন্য অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা

যাইবে এবং এই অপরাধ যদি অনবরতভাবে ঘটিতে থাকে, তাহা হইলে প্রথম দিনের অপরাধের পর পরবর্তী

প্রত্যেক দিনের জন্য অপরাধীকে অতিরিক্ত অনধিক পাঁচশত টাকা পর্যমঙ জরিমানা করা যাইবে।

৫৮। অপরাধ আমলে নেওয়া।- চেয়ারম্যান বা পরিষদ হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির

লিখিত অভিযোগ ছাড়া কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারের জন্য আমলে লইতে

পারিবেন না।

৫৯। অভিযোগ প্রত্যাহার ও আপোষ নিসঙত্তি।- চেয়ারম্যান বা এত্দুদ্দেশ্যে পরিষদ

হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ সংক্রামঙ কোন অভিযোগ প্রত্যাহার বা অভিযুক্ত

ব্যক্তির সহিত আপোষ নিসঙত্তি করিতে পারিবেন।

৬০। অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অবস্থান।- (১) জনপথ ও সর্বধারণের ব্যবহার্য কোন স্থানে

কোন ব্যক্তি কোন প্রকারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করিবেন না।

ব্যাখ্যা - এই ধারার উদ্দেশ্য পঙরণকল্পে, কোন ব্যক্তির অবৈধ অনুপ্রবেশ বলিতে তাহার নিয়মঙণাধীন বা তাহার

তত্ত্বাবধানে রহিয়াছে এমন কোন ব্যক্তি বা জীব-জন্তুর অনুপ্রবেশ বা কোন বস্ত্ত বা কাঠামোর অবস্থানও

অমঙর্ভূক্ত ইহবে।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৭  ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ২২

 

(২) পরিষদের নিয়মঙণভূক্ত বা এখতিয়ারাধীন জনপথে বা স্থানে উক্তরূপ অবৈধ অনুপ্রবেশ করিল

পরিষদ নোটিশ দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করিবার জন্য নির্দেশ

দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি তিনি এই নির্দেশ মান্য না করেন তাহা হইলে পরিষদ অবৈধ

অনুপ্রবেশ বন্ধ করিবার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে অবৈধ

অনুপ্রবেশকারী কোন প্রকার ক্ষতিগ্রসঙ হইলে সেইজন্য তাহাকে কোন ক্ষতিপঙরণ দেওয়া হইবে না।

(৩) অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করার প্রয়োজনে গৃহীত ব্যবস্থার জন্য যে ব্যয় হইবে তাহা উক্ত

অনুপ্রবেশকারীর উপর এই আইনের অধীন ধার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে।

৬১। আপীল।- এই আইন বা কোন বিধি বা প্রবিধানের অধীনে পরিষদ বা উহার

চেয়ারম্যান অথবা পরিষদের বা চেয়ারম্যানের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির কোন আদেশের দ্বারা কোন

ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি উক্ত আদেশ প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে সরকারের নিকট বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত

কর্তৃপক্ষের নিকট উহার বিরুদ্ধে আপীল করিতে পারিবেন এবং এই আপীলের উপর সরকারের বা উক্ত

কর্তৃপক্ষের সিদ্ধামঙ চূড়ামঙ হইবে।

৬২। পরিষদ ও সরকারের কার্যাবলীর সমন্বয় সমঙর্কে আদেশ।- সরকার,

প্রয়োজন হইলে, আদেশ দ্বারা পরিষদ এবং সরকারী কর্তৃপক্ষের কার্যামবলীর মধ্যে কাজের সমন্বয় করিতে

পারিবে।

৬৩। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।- (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পঙরণকল্পে সরকার, সরকারী

গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

(২) বিশেষ করিয়া, এবং উপরি-উক্ত ক্ষমতার সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, অনুরূপ বিধিতে

নিম্নবর্ণিত সকল অথবা যে কোন বিষয়ে বিধান করা যাইবে যথাঃ-

(ক)

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্য নির্বাচন ও তৎসংক্রামঙ কার্যাবলী;

(খ) নির্বাচন বিরোধ, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনাল নিয়োগ ও উহাদের ক্ষমতা,

নির্বাচনী দরখাসঙ দাখিল এবং নির্বাচন বিরোধ নিসঙত্তি সংক্রামঙ বিষয়াদি;

(গ) চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের ক্ষমতা ও কার্যাবলী;

(ঘ) পরিষদের পক্ষে চুক্তি সমঙাদনের বিধানাবলী;

(ঙ) পরিষদের কার্যক্রম বাসঙবায়নের বিধানাবলী;

(চ) পরিষদের রেকর্ডপত্র, প্রতিবেদন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রকাশানা সংক্রামঙ;

(ছ) পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী সংক্রামঙ বিষয়;

(জ) পরিষদের তহবিল রক্ষণ পরিচালনা, নিয়মঙণ, বিনিয়োগ;

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৮ (ক) ও (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ২৩

(ঝ) হিসাব নিরীক্ষা সংক্রামঙ বিষয়াদি;

(ঞ) পরিষদে সমঙত্তি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা সংক্রামঙ বিষয়াদি;

(ট) নির্ধাণ কাজ এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাসঙবায়ন সংক্রামঙ বিষয়াদি;

(ঠ) পরিষদের সমঙত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আচরণ সংক্রামঙ বিষয়;

(ড) কর সংক্রামঙ বিষয়;

(ঢ) পরিষদের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল সংক্রামঙ বিষয়;

(ণ) বিশেষ সভা আহ্বান এবং

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান বা অন্য কোন সদস্য

সংক্রামঙ অপসারণের বিষয়;

(ত) বাজেট প্রণয়ন ও অনুমোদন সংক্রামঙ বিষয়াবলী;

(থ) এই আইনের বিধানাবলী পালনের জন্য সমঙৃক্ত অন্যান্য বিষয়াদি।

৬৪। প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।- (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পুরণকল্পে পরিষদ,

সরকারের পুর্বানুমোদনক্রমে, এই আইনের বা কোন বিধির সহিত অসামঞ্জস্য না হয় এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন

করিতে পারিবে।

(২) বিশেষ করিয়া, এবং উপরি-উক্ত ক্ষমতার সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, অনুরূপ প্রবিধানে

নিম্নরূপ সকল অথবা যে কোন বিষয়ে বিধান করা যাইবে, যথাঃ-

(ক) পরিষদের কার্যাবলী পরিচালনা;

(খ) পরিষদের সভার কোরাম নির্ধারণ;

(গ) পরিষদের সভার প্রশ্ন উত্থাপন;

(ঘ) পরিষদের সভা আহ্বান;

(ঙ) পরিষদের সভার কার্যবিবরণী লিখন;

(চ) পরিষদের সভায় গৃহীত প্রসঙাবের বাসঙবায়ন;

(ছ) সাধারণ সীলমোহরের হেফাজত ও ব্যবহার;

(জ) পরিষদের কোন কর্মকর্তাকে চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অর্পণ;

(ঝ) পরিষদের অফিসের বিভাগ ও শাখা গঠন এবং উহাদের কাজের পরিধি

নির্ধারণ;

(ঞ) কার্যনির্বাহ সংক্রামঙ যাবতীয় বিষয়;

(ট) এই আইনের অধীন প্রবিধান দ্বারা নিয়মঙণ করিতে হইবে বা করা যাইবে

এইরূপ যে কোন বিষয়।

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৮  (গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ২৪

(৩) পরিষদের বিবেচনায় যে প্রকারে প্রকাশ করিলে কোন প্রবিধান সমঙর্কে জনসাধারণ ভালভাবে

অবহিত হইতে পারিবে সেই প্রকারে প্রত্যেক প্রবিধান প্রকাশ করিতে হইবে।

(৪) সরকার নমুনা প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে এবং এইরূপ কোন নমঙনা প্রণীত হইলে পরিষদ

উহা অনুসরণ করিবে।

৬৫। সরকার কর্তৃক ক্ষমতা অর্পণ।- সরকার এই আইনের অধীন ইহার সকল অথবা যে

কোন ক্ষমতা সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে অর্পণ করিতে পারিবে।

৬৬। পরিষদের পক্ষে ও বিপক্ষে মামলা।- (১) পরিষদের বিরুদ্ধে বা পরিষদ সংক্রামঙ

কোন কাজের সুত্রে উহার কোন সদস্য বা কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিতে হইলে মামলা

দায়ের করিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে মামলার কারণ এবং বাদীর নাম ও ঠিকানা উলে­খ করিয়া একটি নোটিশ-

(ক) পরিষদের ক্ষেত্রে, পরিষদের কার্যালয়ে প্রদান করিতে হইবে বা পৌঁছাইয়া দিতে হইবে;

(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, সংশি­ষ্ট সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নিকট ব্যক্তিগতভাবে বা তাহার

অফিস বা বাসস্থানে প্রদান করিতে হইবে বা পোঁছাইয়া দিতে হইবে।

(২) উক্ত নোটিশ প্রদান বা পৌঁছানোর পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যমঙ কোন মামলা

দায়ের করা যাইবে না, এবং মামলার আরজীতে উক্ত নোটিশ প্রদান করা বা পৌঁছানো হইয়াছে কিনা উহার

উলে­খ থাকিতে হইবে।

৬৭। নোটিশ এবং উহা জারীকরণ।- (১) এই আইন, বিধি বা প্রবিধান পালনের জন্য

কোন কাজ করা বা না করা হইতে বিরত থাকা যদি কোন ব্যক্তির কর্তব্য হয় তাহা হইলে কোন সময়ের মধ্যে

ইহা করিতে হইবে বা ইহা করা হইতে বিরত থাকিতে হইবে তাহা উলে­খ করিয়া তাহার উপর একটি নোটিশ

জারী করিতে হইবে।

(২) এই আইনের অধীন প্রদেয় কোন নোটিশ গঠনগত ত্রুটির কারণে অবৈধ হইবে না।

(৩) ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকিলে এই আইনের অধীন প্রদেয় সকল নোটিশ উহার প্রাপককে

হাতে হাতে প্রদান করিয়া অথবা তাহার নিকট ডাকযোগে প্রেরণ করিয়া বা তাহার বাসস্থান বা কর্মস্থলের কোন

বিশিষ্ট স্থানে আঁটিয়া দিয়া জারী করিতে হইবে।

(৪) যে নোটিশ সর্বাধারণের জন্য তাহা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত কোন প্রকাশ্য স্থানে আঁটিয়া দিয়া

জারী করা হইলে উহা যথাযথভাবে জারী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

৬৮। প্রকাশ্য রেকর্ড।- এই আইনের অধীন প্রস্ত্ততকৃত এবং সংরক্ষিত যাবতীয় রেকর্ডএবং

রেজিষ্ট্রী   ঊারফবহপব অপঃ, ১৮৭২ (ও ড়ভ ১৮৭২) তে যে অর্থে প্রকাশ্য রেকর্ড (চঁনষরপ ফড়পঁসবহঃ)

অভিব্যক্তিটি ব্যবহ্নত হইয়াছে সেই অর্থে প্রকাশ্য রেকর্ড (চঁনষরপ ফড়পঁসবহঃ) বলিয়া গণ্য হইবে এবং

বিপরীত প্রমাণিত না হইলে, উহাকে বিশুদ্ধ রেকর্ড বা রেজিষ্ট্রী বলিয়া গণ্য করিতে হইবে।

 ২৫

৬৯। পরিষদের

চেয়রাম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সদস্য ইত্যাদি জনসেবক

(চঁনষরপ ঝবৎাধহঃ ) গণ্য হইবেন।- পরিষদের চেয়ারম্যান বা উহার অন্যান্য সদস্য এবং উহার

কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এবং পরিষদের পক্ষে কাজ করার জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য ব্যক্তি চবহধষ

ঈড়ফব (অপঃ, ঢখঠ ড়ভ ১৮৬০) এর ঝবপঃরড়হ ২১ এ যে অর্থে জনসেবক (চঁনষরপ ঝবৎাধহঃ)

অভিব্যক্তিটি ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে জনসেবক (চঁনষরপ ঝবৎাধহঃ) বলিয়া গণ্য হইবেন।

৭০। সরল বিশ্বসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ। - এই আইন, বিধি বা প্রবিধান এর অধীন সরল

বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রসঙ হইলে বা তাঁহার ক্ষতিগ্রসঙ হইবার সম্ভাবনা থাকিলে

তজ্জন্য সরকার, পরিষদ বা উহাদের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা

ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না।

৭১। নির্ধারিত পদ্ধতিতে কতিপয় বিষয়ের নিসঙত্তি।- এই আইনে কোন কিছু করিবার

জন্য বিধান থাকা সত্ত্বেও যদি উহা কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বা কি পদ্ধতিতে করা হইবে তৎসমঙর্কে কোন বিধান না

থ্যকে তাহা হইলে উক্ত কাজ সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত আদেশ অনুসারে সমঙন্ন করা হইবে।

৭২। অসুবিধা দঙরীকরণ।- এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে উক্ত

বিধানে কোন অসঙষ্টতার কারণে অসুবিধা দেখা দিলে সরকার উক্ত অসুবিধা দঙরীকণার্থে সরকারী গেজেটে

প্রকাশিত আদেশ দ্বারা প্রয়োজনীয় যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।

 

------------------------

                                                

 ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন-এর ২৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 ২৬

প্রথম তফসিল

[ধারা ৩(১) দ্রষ্টব্য]

প্রথম উপজেলাসমঙহের তালিকা

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

          ১        পঞ্চগড়           ১        আটোয়ারী

 

                                      ২        তেতুলিয়া

 

                                      ৩        বোদা

 

                                      ৪        দেবীগঞ্জ

 

                                      ৫        পঞ্চগড় সদর

 

          ২        ঠাকুরগাঁও        ৬        বালিয়াডাঙ্গী

 

                                      ৭        হরিপুর

 

                                      ৮        রানীশংকাইল

 

                                      ৯        পীরগঞ্জ

 

                                      ১০      ঠাকুরগাঁও সদর

 

          ৩        দিনাজপুর        ১১      বিরামপুর

 

                                      ১২      বীরগঞ্জ

 

                                      ১৩      বোচাগঞ্জ

 

                                      ১৪      চিরির বন্দর

 

                                      ১৫      ঘোড়াঘাট

 

                                      ১৬      ফুলবাড়ী

 

                                      ১৭      বিরল

 

                                      ১৮      দিনাজপুর সদর

 

                                      ১৯      হাকিমপুর

 

                                      ২০      কাহারোল

 

                                      ২১      খানসামা

 

                                      ২২      নবাবগঞ্জ

 

                                      ২৩      পার্বতীপুর

 

          ৪ নীলফামারী             ২৪      ডিমলা

 

                                      ২৫      ডোমার

                                                

১ ২০০৯ সনের ২৭ নং আইন ু এর ৩১ ধারাবলে ‘‘প্রথম তফসিলের’’ পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।

                                      ২৭

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

২৬ নীলফামারী সদর

 

২৭ জলাঢাকা

 

২৮ কিশোরগঞ্জ

 

২৯ সৈয়দপুর

৫ লালমনিরহাট ৩০ হাতীবান্ধা

 

৩১ কালীগঞ্জ

 

৩২ পাটগ্রাম

 

৩৩ আদিতমারী

 

৩৪ লালমনিরহাট সদর

৬ রংপুর ৩৫ গংগাচরা

 

৩৬ কাউনিয়া

 

৩৭ পীরগাছা

 

৩৮ রংপুর সদর

 

৩৯ বদরগঞ্জ

 

৪০ মিঠাপুকুর

 

৪১ পীরগঞ্জ

 

 

৪২ তারাগঞ্জ

৭ কুড়িগ্রাম ৪৩ ভুরুংগামারী

 

৪৪ চিলমারী

 

৪৫ ফুলবাড়ী

 

৪৬ রাজীবপুর

 

৪৭ রৌমারী

 

৪৮ কুড়িগ্রাম সদর

 

৪৯ নাগেশ্বরী

 

৫০ রাজারহাট

 

৫১ উলিপুর

৮ গাইবান্ধা ৫২ ফুলছড়ি

 

৫৩ গাইবান্ধা সদর

 

৫৪ পলাশবাড়ী

 

৫৫ সাঘাটা

 

৫৬ গোবিন্দগঞ্জ

 ২৮

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৫৭ সাদুলাপুর

 

৫৮ সুন্দরগঞ্জ

৯ জয়পুরহাট ৫৯ আক্কেলপুর

 

৬০ পাঁচবিবি

 

৬১ জয়পুরহাট সদর

 

৬২ কালাই

 

৬৩ ক্ষেতলাল

১০ বগুড়া ৬৪ আদমদিঘী

 

৬৫ ধুনট

 

৬৬ নন্দীগ্রাম

 

৬৭ সারিয়াকান্দি

 

৬৮ সোনাতলা

 

৬৯ বগুড়া সদর

 

৭০ দুপচাচিয়া

 

৭১ গাবতলী

 

৭২ কাহালু

 

৭৩ শিবগঞ্জ 

 

৭৪ শেরপুর

 

৭৫ শাজাহানপুর

১১ নওয়াবগঞ্জ  ৭৬ নওয়াবগঞ্জ সদর

 

৭৭ নাচোল

 

৭৮ শিবগঞ্জ 

 

৭৯ ভোলাহাট

 

৮০ গোমসঙাপুর

১২ নওগাঁ ৮১ আত্রাই

 

৮২ বাদলগাছি

 

৮৩ ধামইরহাট

 

৮৪ মান্দা

 

৮৫ পোরশা

 

৮৬ সাপাহার

 

৮৭ মহাদেবপুর

 ২৯

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৮৮ নওগাঁ সদর

 

৮৯ নিয়ামতপুর

 

৯০ পত্মিতলা

 

৯১ রানীনগর

১৩ রাজশাহী ৯২ বাঘমারা

 

৯৩ মোহনপুর

 

৯৪ পবা

 

৯৫ পুটিয়া

 

৯৬ তানোর

 

৯৭ বাঘা

 

৯৮ চারঘাট

 

৯৯ দুর্গাপুর

    ১০০ গোদাগাড়ী

১৪ নাটোর ১০১ বাগাতিপাড়া

 

১০২ গুরুদাসপুর

 

১০৩ নাটোর সদর

 

১০৪ বড়াইগ্রাম

 

১০৫ লালপুর

 

১০৬ সিংড়া

১৫ সিরাজগঞ্জ ১০৭ কামারখন্দ

 

১০৮ রায়গঞ্জ

 

১০৯ সাহজাদপুর

 

১১০ সিরাজগঞ্জ সদর

 

১১১ উলাপাড়া

 

১১২ বেলকুচি

 

১১৩ চৌহালী

 

১১৪ কাজীপুর

 

১১৫ তাড়াশ

 ৩০

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

১৬ পাবনা ১১৬ বেড়া

 

১১৭ ফরিদপুর

 

১১৮ ঈশ্বরদী

 

১১৯ পাবনা সদর

 

১২০ সাঁথিয়া

 

১২১ আটঘরিয়া

 

১২২ ভাংগুড়া

 

১২৩ চাঁটমোহর

 

১২৪ সুজানগর

১৭ মেহেরপুর ১২৫ গাংনী

 

১২৬ মেহেরপুর সদর

 

১২৭ মুজিবনগর

১৮ কুষ্টিয়া ১২৮ ভেড়ামারা

 

১২৯ দৌলতপুর

 

১৩০ মীরপুর

 

১৩১ কুমারখালী

 

১৩২ খোকসা

 

১৩৩ কুষ্টিয়া সদর

১৯ চুয়াডাংগা ১৩৪ আলমডাংগা

 

১৩৫ চুয়াডাংগা সদর

 

১৩৬ দামুড়হুদা

 

১৩৭ জীবননগর

২০ ঝিনাইদহ ১৩৮ কালিগঞ্জ

 

১৩৯ কোটচাঁদপুর

 

১৪০ মহেশপুর

 

১৪১ হরিনাকুন্ড

 

১৪২ ঝিনাইদহ

    ১৪৩ শৈলকুপা

 ৩১

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

২১ যশোহর ১৪৪ চৌগাছা

 

১৪৫ যশোহর সদর

 

১৪৬ ঝিকরগাছা

 

১৪৭ শার্শা

 

১৪৮ অভয়নগর

 

১৪৯ বাঘার পাড়া

 

১৫০ কেশবপুর

 

১৫১ মনিরামপুর

২২ মাগুরা ১৫২ মহম্মদপুর

 

১৫৩ শালিখা

 

১৫৪ মাগুরা সদর

 

১৫৫ শ্রীপুর

২৩ নড়াইল ১৫৬ লোহাগড়া

 

১৫৭ কালিয়া

 

১৫৮ নড়াইল সদর

২৪ বাগেরহাট ১৫৯ বাগেরহাট সদর

 

১৬০ চিতলমারী

 

১৬১ ফকিরহাট

 

১৬২ কচুয়া

 

১৬৩ মোলাহাট

 

১৬৪ মোংলা

 

১৬৫ মোড়েলগঞ্জ

 

১৬৬ রামপাল

 

১৬৭ শরণখোলা

২৫ খুলনা ১৬৮ দিঘলিয়া

 

১৬৯ ফুলতলা

 

১৭০ রূপসা

 

১৭১ তেরখাদা

 ৩২

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

১৭২ বাটিয়াঘাটা

    ১৭৩ দাকোপ

 

১৭৪ ডুমুরিয়া

 

১৭৫ কয়রা

 

১৭৬ পাইকগাছা

২৬ সাতক্ষীরা ১৭৭ কালীগঞ্জ

 

১৭৮ শ্যামনগর

 

১৭৯ আশাশুনি

 

১৮০ দেবহাটা

 

১৮১ কলারোয়া

 

১৮২ সাতক্ষীরা সদর

 

১৮৩ তালা

২৭ বরগুনা ১৮৪ আমতলী

 

১৮৫ বরগুনা সদর

 

১৮৬ পাথরঘাটা

 

১৮৭ বেতাগী

 

১৮৮ বামনা

২৮ পটুয়াখালী ১৮৯ বাউফল

 

১৯০ মির্জাগঞ্জ

 

১৯১ পটুয়াখালী সদর

 

১৯২ দশমিনা

 

১৯৩ গলাচিপা

 

১৯৪ কলাপাড়া

 

১৯৫ দুমকী

২৯ ভোলা ১৯৬ চরফ্যাশন

 

১৯৭ লালমোহন

 

১৯৮ মনপুরা

 

১৯৯ তজুমুদ্দিন

 ৩৩

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

২০০ ভোলা সদর

 

২০১ বোরহানউদ্দিন

 

২০২ দৌলতখান

৩০ বরিশাল ২০৩ আগৈলঝাড়া

 

২০৪ বরিশাল সদর

 

২০৫ বাবুগঞ্জ

 

২০৬ গৌরনদী

 

২০৭ উজিরপুর

 

২০৮ হিজলা

 

২০৯ বাকেরগঞ্জ

 

২১০ মেহেন্দিগঞ্জ

 

২১১ মঙলাদি

 

২১২ বানারীপাড়া

৩১ ঝালকাঠি ২১৩ ঝালকাঠি সদর

 

২১৪ রাজাপুর

 

২১৫ কাঠালিয়া

 

২১৬ নলছিটি

৩২ পিরোজপুর ২১৭ ভান্ডারিয়া

 

২১৮ মঠবাড়িয়া

 

২১৯ পিরোজপুর সদর

 

২২০ কাউখালী

 

২২১ নাজিরপুর

 

২২২ নেছারাবাদ

    ২২৩ জিয়ানগর

৩৩ সুনামগঞ্জ ২২৪ বিশ্বম্বপুর

 

২২৫ ছাতক

 

২২৬ ধর্মপাশা

 

২২৭ দোয়ারাবাজার

 ৩৪

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

২২৮ তাহিরপুর

 

২২৯ দিরাই

 

২৩০ জামালগঞ্জ

 

২৩১ জগন্নাথপুর

 

২৩২ সুনামগঞ্জ সদর

 

২৩৩ শালা

 

২৩৪ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ

৩৪ সিলেট ২৩৫ বিয়ানীবাজার

 

২৩৬ কোম্পানীগঞ্জ

 

২৩৭ গোলাপগঞ্জ

 

২৩৮ গোয়াইনঘাটা

 

২৩৯ জৈমঙাপুর

 

২৪০ কানাইঘাট

 

২৪১ জকিগঞ্জ

 

২৪২ বালাগঞ্জ

 

২৪৩ বিশ্বনাথ

 

২৪৪ ফেঞ্চুগঞ্জ

 

২৪৫ সিলেট সদর

 

২৪৬ দক্ষিণ সুরমা

৩৫ মৌলভীবাজার ২৪৭ কমলগঞ্জ

 

২৪৮ মৌলভীবাজার সদর

 

২৪৯ রাজনগর

 

২৫০ বড়লেখা

 

২৫১ কুলাউড়া

 

২৫২ শ্রীমঙ্গল

 

২৫৩ জুড়ী

৩৬ হবিগঞ্জ ২৫৪ আজিমিরীগঞ্জ

 

২৫৫ বানিয়াচং

 ৩৫

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

২৫৬ লাখাই

 

২৫৭ নবীগঞ্জ

 

২৫৮ হবিগঞ্জ সদর

 

২৫৯ বাহুবল

 

২৬০ চুনারুঘাট

 

২৬১ মাধবপুর

৩৭ বি,বাড়ীয়া ২৬২ বাঞ্ছারামপুর

 

২৬৩ নাছিরনগর

 

২৬৪ নবিনগর

 

২৬৫ সরাইল

 

২৬৬ বি,বাড়ীয়া (সঃ)

 

২৬৭ আখাউড়া

 

২৬৮ কসবা

 

২৬৯ আশুগঞ্জ

৩৮ কুমিলা ২৭০ বুড়ীচং

 

২৭১ চান্দিনা

 

  ২৭২ দাউদকান্দি

 

২৭৩ দেবীদ্বার

 

২৭৪ হোমনা

 

২৭৫ মুরাদনগর

 

২৭৬ বরুড়া

 

২৭৭ ব্রাক্ষ্মণপাড়া

 

২৭৮ চৌদ্দগ্রাম

 

২৭৯ কুমিলা আদর্শ সদর

 

২৮০ লাকসাম

 

২৮১ লাংগলকোট

 

২৮২ মেঘনা

 

২৮৩ মনোহরগঞ্জ

 ৩৬

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

২৮৪ তিতাস

 

২৮৫ কুমিলা সঃ দক্ষিণ

৩৯ চাঁদপুর ২৮৬ ফরিদগঞ্জ

 

২৮৭ হাইমচর

 

২৮৮ কচুয়া

 

২৮৯ শাহারাসিঙ

 

২৯০ চাঁদপুর সদর

 

২৯১ হাজীগঞ্জ

 

২৯২ মতলব উত্তর

 

২৯৩ মতলব(দঃ)

৪০ ফেনী ২৯৪ ছাগলনাইয়া

 

২৯৫ পরশুরাম

 

২৯৬ সোনাগাজী

 

২৯৭ দাগনভূয়া

 

২৯৮ ফেনী সদর

 

২৯৯ ফুলগাজী

৪১ নোয়াখালী ৩০০ চাটখিল

 

৩০১ কোম্পানীগঞ্জ

 

৩০২ হাতিয়া

 

৩০৩ সেনবাগ

 

৩০৪ বেগমগঞ্জ

 

৩০৫ নোয়াখালী সদর

 

৩০৬ সুবর্ণচর

 

৩০৭ সোনাইমুড়ি

 

৩০৮ কবিরহাট

৪২ লক্ষ্মীপুর ৩০৯ রায়পুর

 

৩১০ রামগতি

 

৩১১ রামগঞ্জ

 ৩৭

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৩১২ লক্ষ্মীপুর সদর.

 

৩১৩ কমল নগর

৪৩ চট্টগ্রাম ৩১৪ আনোয়ারা

 

৩১৫ বাঁশখালী

 

৩১৬ বোয়ালখালী

 

৩১৭ চন্দনাইশ

 

৩১৮ লোহাগড়া

 

৩১৯ পটিয়া

 

৩২০ সাতকানিয়া

 

৩২১ ফটিকছড়ী

 

৩২২ হাটহাজারী

 

৩২৩ মিরেরসরাই

 

৩২৪ রাংগুনিয়া

 

৩২৫ রাউজান

 

৩২৬ সন্দ্বীপ

 

৩২৭ সীতাকুন্ড

৪৪ কক্সবাজার ৩২৮ চকরিয়া

 

৩২৯ টেকনাফ

 

৩৩০ উখিয়া

 

৩৩১ রামু

 

৩৩২ কক্সবাজার সদর

 

৩৩৩ কুতুবদিয়া

 

৩৩৪ মহেশখালী

 

৩৩৫ পেকুয়া

৪৫ খাগড়াছড়ি ৩৩৬ দীঘিনালা

 

৩৩৭ খাগড়াছড়ি সদর

 

৩৩৮ লক্ষীছড়ি

 

৩৩৯ মহালছড়ি

 ৩৮

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৩৪০ মানিকছড়ি

 

  ৩৪১ মাটিরাংগা

 

৩৪২ পানছড়ি

 

৩৪৩ রামগড়

৪৬ রাংগামাটি ৩৪৪ বরকল

 

৩৪৫ বাঘাইছড়ি

 

৩৪৬ বিলাইছড়ি

 

৩৪৭ জুরাছড়ি

 

৩৪৮ কাপ্তাই

 

৩৪৯ কাউখালী

 

৩৫০ লংগদু

 

৩৫১ নানিয়ারচর

 

৩৫২ রাজস্থলী

 

৩৫৩ রাংগামাটি সদর

৪৭ বান্দরবান ৩৫৪ আলীকদম

 

৩৫৫ বান্দরবান সদর

 

৩৫৬ লামা

 

৩৫৭ নাইখংছড়ি

 

৩৫৮ বোয়াংছড়ি

 

৩৫৯ রুমা

 

৩৬০ থানচি

৪৮ টাংগাইল ৩৬১ গোপালপুর

 

৩৬২ কালিহাতী

 

৩৬৩ মধুপুর

 

৩৬৪ টাংগাইল সদর

 

৩৬৫ ভূয়াপুর

 

৩৬৬ ঘাটাইল

 

৩৬৭ মির্জাপুর

 ৩৯

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৩৬৮ নাগরপুর

 

৩৬৯ সখিপুর

 

৩৭০ দেলদুয়ার

 

৩৭১ বাসাইল

 

৩৭২ ধনবাড়ী

৪৯ জামালপুর ৩৭৩ বক্সীগঞ্জ

 

৩৭৪ দেওয়ানগঞ্জ

 

৩৭৫ ইসলামপুর

 

৩৭৬ মাদারগঞ্জ

 

৩৭৭ জামালপুর সদর

 

৩৭৮ সরিষাবাড়ী

 

৩৭৯ মেলান্দহ

৫০ শেরপুর ৩৮০ ঝিনাইগাতি

 

৩৮১ নলিতাবাড়ী

 

৩৮২ শ্রীবর্দী

 

৩৮৩ নকলা

 

৩৮৪ শেরপুর সদর

৫১ ময়মনসিংহ ৩৮৫ ভালুকা

 

৩৮৬ ফুলবাড়ীয়া

 

৩৮৭ গফরগাঁও

 

৩৮৮ ময়মনসিংহ সদর

 

৩৮৯ মুক্তাগাছা

 

৩৯০ ত্রিশাল

 

৩৯১ গৌ্রীপুর

 

৩৯২ হালুয়াঘাট

 

৩৯৩ ঈশ্বরগঞ্জ

 

৩৯৪ নান্দাইল

 

৩৯৫ ধোবাউড়া

 ৪০

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৩৯৬ ফুলপুর

৫২ নেত্রকোনা ৩৯৭ বারহাট্টা

 

৩৯৮ খালিয়াজুরী

 

৩৯৯ কমলকান্দা

 

৪০০ মদন

 

৪০১ মোহনগঞ্জ

 

৪০২ আটপাড়া

 

৪০৩ দুর্গাপুর

 

৪০৪ কেন্দুয়া

 

৪০৫ নেত্রকোনা সদর.

 

৪০৬ পঙর্বধলা

৫৩ কিশোরগঞ্জ ৪০৭ হোসেনপুর

 

৪০৮ ইটনা

 

৪০৯ করিমগঞ্জ

 

৪১০ কিশোরগঞ্জ সদর

 

৪১১ মিঠামঈন

 

৪১২ পাকুন্দিয়া

 

৪১৩ তাড়াইল

 

৪১৪ অষ্টগ্রাম

 

৪১৫ বাজিতপুর

 

৪১৬ ভৈরব বাজার

 

৪১৭ কুলিয়াচর

 

৪১৮ কটিয়াদি

 

৪১৯ নিকলী

৫৪ মানিকগঞ্জ ৪২০ হরিরামপুর

 

৪২১ মানিকগঞ্জ সদর

 

৪২২ সিংগাইর

 

৪২৩ দৌলতপুর

 ৪১

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৪২৪ ঘিওর

 

৪২৫ সাটুরিয়া

 

৪২৬ শিবালয়

৫৫ মুন্সিগঞ্জ ৪২৭ লৌহজং

 

৪২৮ সিরাজদিখান

 

৪২৯ শ্রীনগর

 

৪৩০ গজারিয়া

 

৪৩১ মুন্সিগঞ্জ সদর

 

৪৩২ টংগীবাড়ী

৫৬ ঢাকা ৪৩৩ ধামরাই

 

৪৩৪ কেরানীগঞ্জ

 

৪৩৫ সাভার

 

৪৩৬ দোহার

 

৪৩৭ নবাবগঞ্জ

 

৪৩৮ তেজগাঁও

৫৭ গাজীপুর ৪৩৯ গাজীপুর সদর

 

৪৪০ কালিয়াকৈর

 

৪৪১ শ্রীপুর

 

৪৪২ কালীগঞ্জ

 

৪৪৩ কাপাসিয়া

৫৮ নরসিংদী ৪৪৪ বেলাবো

 

৪৪৫ নরসিংদী সদর

 

৪৪৬ রায়পুরা

 

৪৪৭ মনোহরদী

 

৪৪৮ পলাশ

 

৪৪৯ শিবপুর

৫৯ নারায়নগঞ্জ ৪৫০ আড়াইহাজার

 

৪৫১ সোনারগাঁও

 ৪২

ক্রমিক নং জেলার নাম ক্রমিক নং উপজেলার নাম

 

৪৫২ রূপগঞ্জ

 

৪৫৩ বন্দর

 

৪৫৪ নারায়নগঞ্জ সদর

৬০ রাজবাড়ী ৪৫৫ গোয়ালনন্দ

 

৪৫৬ রাজবাড়ী সদর

 

৪৫৭ বালিয়াকান্দি

 

৪৫৮ পাংশা

৬১ ফরিদপুর ৪৫৯ ভাংগা

 

৪৬০ চরভদ্রাসন

 

৪৬১ নগরকান্দা

 

৪৬২ ফরিদপুর সদর

 

৪৬৩ সদরপুর

 

৪৬৪ আলফাডাঙ্গা

 

 

৪৬৫ বোয়ালমারী

 

৪৬৬ মধুখালী

৬২ গোপালগঞ্জ ৪৬৭ কাশিয়ানী

 

৪৬৮ মুকসুদপুর

 

৪৬৯ গোপালগঞ্জ সদর

 

৪৭০ কোটালীপাড়া

 

৪৭১ টুংগীপাড়া

৬৩ মাদারীপুর ৪৭২ রাজৈর

 

৪৭৩ শিবচর

 

৪৭৪ কালকিনী

 

৪৭৫ মাদারীপুর সদর

৬৪ শরীয়তপুর ৪৭৬ নড়ীয়া

 

৪৭৭ শরীয়তপুর সদর

 

৪৭৮  জাজিরা

 

৪৭৯ ভেদরগঞ্জ

 

৪৮০ ডামুড্যা

 

৪৮১ গোসাইরহাট

 ৪৩

দ্বিতীয় তফসিল

[ধারা ২৩ দ্রষ্টব্য]

উপজেলা পরিষদের কার্যাবলী

১। পাঁচসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী করা।

২। পরিষদের নিকট হসঙামঙরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসঙচী বাসঙবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজকর্মসমঙহের

তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা।

৩। আমঙঃ ইউনিয়ন সংযোগকারী রাসঙা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

৪। ভূ-উপরিস্থ পানি সমঙদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা

পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাসঙবায়ন।

৫। জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ।

৬। স্যানিটেশন ও পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ।

৭। (ক) উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান;

(খ) মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশি­ষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যক্রম

তদারকী ও উহাদিগকে সহায়তা প্রদান।

৮। কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ।

৯। সমবায় সমিতি ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাজে সহায়তা প্রদান এবং উহাদের কাজে সমন্বয়

সাধন।

১০। মহিলা, শিশু, সমাজকল্যাণ এবং যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাসঙবায়ন করা।

১১। কৃষি, গবাদি পশু, মৎস্য এবং বনজ সমঙদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাসঙবায়ন।

১২। উপজেলায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং নিয়মিতভাবে

উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ।

১৩। আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র বিমোচনের জন্য নিজ উদ্যোগে কর্মসঙচী গ্রহণ, বাসঙবায়ন এবং

এতদসমঙর্কে সরকারী কর্মসঙচী বাসঙবায়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৪। ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রমের সনম্বয় সাধন ও পরীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৫। নারী ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি অপরাধ সংগঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমঙলক

কার্যক্রম গ্রহণ।

 ৪৪

১৬। সমঙাস, চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান, মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংগঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত

সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমঙলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৭। পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক বনায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

১৮। সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী।

 

 ৪৫

তৃতীয় তফসিল

[ধারা ২৪ দ্রষ্টব্য]

সরকার কর্তৃক উপজেলা পরিষদের নিকট হসঙামঙরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ও কর্মের তালিকা

ক্রমিক

নং

মমঙণলায়/বিভাগের নাম উপজেলা পরিষদের নিকট ন্যাসঙ্কৃত সরকারের বিষয় অথবা

দপ্তর

১। যুব ও ক্রীড়া মমঙণালয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর অধীনসঙ থানা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা,

কর্মচারী এবং জনবল

২। সংস্থাপন মমঙণালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তাহার অধীনস্থ কর্মচারীগণ ও তাদের

কার্যাবলী।

৩। মৎস্য ও পশুসমঙদ

মমঙণালয়

৪। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ

মমঙণালয়।

৫। মহিলা ও শিশু বিষয়ক

মমঙণালয়।

(১) মৎস অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা মৎস্য কর্মকর্তা তাঁর

অধীনস্থ কর্মচারী; এবং

(২) পশুসমঙদ অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা পশুসমঙদ কর্মকর্তা ও

তাহার অধীনস্থ কর্মচারী এবং তাদের কার্যাবলী।

স্বাস্থা ও পরিবার কল্যাণ মমঙণালয়ের অধীনস্থ থানা স্বাস্থ্য ও

পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারী,

থানা পরিবার পকিল্পনা কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মঙণাধীন

থানা স্বাস্থ্য কমপে­ক্স এবং অন্যান্য সংশি­ষ্ট কার্যাবলী।

মহিলা অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও তাঁর

অধীনস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং তাদের কার্যাবলী।

৬। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ প্রথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও তাঁর

অধীনস্থ কর্মচারীগণ।

৭। স্থানীয় সরকার, পল­x

উন্নয়ন ও সমবায়

মমঙণালয়।

(১) স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা

ইঞ্জিনিয়ার ও তাহার অধীনস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারী ও তাদের

কার্যাবলী।

(২) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা পর্যায়ে উপসহকারী

প্রকৌশলী ও তাঁর অধীনস্থ কর্মচারী ও তাদের

কার্যাবলী।

 

৮। কৃষি মমঙণালয় কৃষি সমঙ্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা কৃষি কর্মকর্তা ও তাঁর

অধিনস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারী ও তাদের কার্যাবলী।

৯। দঙর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মমঙণালয়

ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের আওতাধীন থানা পর্যায়ে প্রকল্প

বাসঙবায়ন কর্মকর্তা (চওঙ) ও তাঁর অধীনস্থ কর্মচারীগণ ও তাদের

কার্যাবলী।

১০। সমাজ কল্যাণ মমঙণালয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনস্থ থানা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও তাঁর

অধীনস্থ কর্মচারী ও তাদের কার্যাবলী।

 ৪৬

 

চতুর্থ তফসিল

[ধারা ৪৪ দ্রষ্টব্য]

উপজেলা পরিষদ কর্তৃক আরোপনীয় কর, রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য

সুত্র হইতে প্রাপ্ত আয়

১। উপজেলার আওতাভূক্ত এলাকায় অবস্থিত সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাট-বাজার, হসঙামঙরিত জলমহাল ও

ফেরীঘাট হইতে ইজারালব্দ আয়।

২। যে সকল উপজেলায় পৌরসভা গঠিত হয় নাই সেখানে সীমানা নির্ধারণপঙর্বক উক্ত সীমানা, অতঃপর থানা

সদর বলিয়া উলি­খিত এর মধ্যে অবস্থিত ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার উপর ধার্যকৃত কর।

৩। (ক)  যে সকল উপজেলায় পৌরসভা নাই সেখানে থানা সদরে অবস্থিত সিনেমার উপর কর।

 (খ)  নাটক, থিয়েটার ও যাত্রার উপর করের অংশ বিশেষ, যাহা বিধি দ্বারা নির্ধারিত হয়।

৪। রাসঙা আলোকিতকরণের উপর ধার্যকৃত কর।

৫। বেসরকারীভাবে আয়োজিত মেলা, প্রদর্শনী ও বিনোদনমঙলক অনুষ্ঠানের উপর ধার্যকৃত ফি।

৬। ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত খাত এবং সংশি­ষ্ট উপজেলার আওতা বহির্ভূত খাত ব্যতীত বিভিনণ ব্যবসা,

বৃত্তি ও পেশার উপর পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ও পারমিটের উপর ধার্যকৃত ফি।

৭। পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সেবার উপর ধার্যকৃত ফিস ইত্যাদি।

৮। উপজলোর এলাকাভূক্ত সমঙত্তি হসঙামঙর বাবদ আদায়কৃত রেজিস্ট্রেশন ফিসের ১% এবং আদায়কৃত ভূমি

উন্নয়ন করের ২% অংশ।

৯। সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্দেশিত অন্য কোন খাতের উপর আরোপিত কর, রেইট, টোল, ফিস বা

অন্য কোন উৎস্য হইতে অর্জিত আয়।

 ৪৭

 

পঞ্চম তফসিল

[এই আইনের অধীনে অপরাধসমঙহ]

১। উপজেলা পরিষদ কর্তৃক আইনগতভাবে ধার্যকৃত কর, টোল, রেইট, ফিস ইত্যাদি ফাঁকি দেওয়া।

২। এই আইন, বিধি বা প্রবিধানের অধীন যে সকল বিষয়ে উপজেলা পরিষদ তথা চাহিতে পারে সেই সকল

বিষয়ে উপজেলা পরিষদের তলব অনুযায়ী তথ্য সরকারের ব্যর্থতা বা ভূল তথ্য সরবরাহ।

৩। এই আইন, বিধিা বা প্রবিধানের বিধান অনুযায়ী যে কার্যের জন্য লাইসেন্স বা অনুমতি প্রয়োজন হয় সে

কার্য বিনা লাইসেন্সে বা বিনা অনুমতিতে সমঙাদন।

৪। এই আইন, বিধি  ও প্রবিধানের বিধানাবলী লংঘন বা উহার অধীন জারীকৃত নির্দেশ বা ঘোষণার লংঘন।